1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিদ্যুৎ খাতে বকেয়া ৫২ হাজার কোটি বেড়েছে দাখিল পরীক্ষার্থী রাষ্ট্রের ক্ষতি ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার: কাতারের সাথে শেখ হাসিনা সরকারের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি সত্ত্বেও পিটার হাস থেকে উচ্চমূল্যে এলএনজি ক্রয় তেরখাদায় চিত্রা নদীতে গোসলে নেমে তলিয়ে মৃত্যু, একদিন পর মরদেহ উদ্ধার জামালপুরে ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ও হেরোইনসহ ৭ জন গ্রেফতার এক দফা দাম বাড়ানোর পর ভোক্তাপর্যায়ে আবারও এলপিজির দাম বাড়িয়েছে সরকার চবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার পোস্টার হাতে অবস্থান বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি চরম বিপর্যয়ের মুখে উপসাগরের যুদ্ধ অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে পাকিস্তানকে  কলেজে ঢুকে অধ্যক্ষের ওপর হামলার অভিযোগ

হামের টিকা সংকটে শতাধিক শিশুমৃত্যু: স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৮ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

হামের টিকা সংকটে শতাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তর দাবি জানিয়েছেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ। তিনি বলেন, শুধু সংকট মোকাবিলায় অপারেশনাল সহায়তা দিলেই চলবে না, এই পরিস্থিতিতে কীভাবে এসেছে তা জানা জরুরি। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখা পোষ্টে জানান, গতকাল সরকারের অনুরোধে ব্র্যাক জরুরি ভিত্তিতে হাম প্রতিরোধ টিকা প্রচারাভিযানে ১৫ লাখ মিক্সিং সিরিঞ্জ কেনার এবং ভ্যাকসিনেটর সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু আসিফ সালেহ বলেন, এটি যথেষ্ট নয়। তিনি উল্লেখ করেন, মার্চের মাঝামাঝি থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ১৮,০০০-এরও বেশি সন্দেহজনক হামের কেস শনাক্ত হয়েছে। ৫৮টি জেলায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। ১৭০-এরও বেশি সন্দেহজনক মৃত্যু ঘটেছে, যার প্রায় সবই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। মৃত শিশুদের মধ্যে ৬৪ শতাংশ কোনো টিকাই পায়নি এবং ২১ শতাংশ দুটির পরিবর্তে মাত্র একটি টিকা পেয়েছে। এমন একটি রোগে তারা মারা গেছে যা টিকা দিলে সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য। বাংলাদেশে এ বছরই হাম ও রুবেলা নির্মূল করার লক্ষ্যে ছিল। কিন্তু বর্তমানে মহামারী মোকাবিলা করতে হচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর চিকিৎসা খরচ মেটাতে চরম বেহাল অবস্থা। আসিফ সালেহ বলেন, এই ছেদ ভবিষ্যতে জনস্বাস্থ্যের জন্য অশনি সংকেত। তিনি আরও বলেন, এটি হঠাৎ করে হয়নি। ২০২৫ সালে স্বাস্থ্যকর্মীরা তিনবার বেতনের দাবিতে ধর্মঘট করেছেন, যার ফলে নিয়মিত টিকাদান ব্যাহত হয়। ভ্যাকসিন সংগ্রহে বিলম্ব, অপারেশনাল প্ল্যান বাতিলসহ একের পর এক সিদ্ধান্ত শিশুদের অরক্ষিত করে রেখেছে। বাংলাদেশ চার দশকে বিশ্বমানের টিকাদান ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। ১৯৭৯ সালে মাত্র ২ শতাংশ শিশু সম্পূর্ণ টিকা পেত, যা বিগত এক দশকের মধ্যে ৯০ শতাংশের উপরে উন্নীত করা হয়েছিল। লক্ষ লক্ষ শিশুর জীবন বেঁচেছিল এই কর্মসূচির কারণে।

আসিফ সালেহ বলেন,

“সেই অর্জনকে আমরা এহেন অবহেলায় ধ্বংস হতে দিতে পারি না।”

স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দোষারোপ নয়, প্রকৃত প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা দরকার। কখন থেকে ব্যবস্থাটি ভাঙতে শুরু করল? কে জানত? কী করা উচিত ছিল কিন্তু করা হয়নি? সরকারিভাবে না হলে বেসরকারিভাবে এই তদন্ত হওয়া দরকার।”

“শিশুরা প্রতিরোধযোগ্য রোগে মারা যাচ্ছে শুধু কিছু মানুষের গাফিলতির জন্য।
এই জবাবদিহি কে দেবে? এটা কি মানা যায়?”

— প্রশ্ন রেখে আসিফ সালেহ তার ফেসবুক পোস্টে এই দাবি জানান।

বর্তমানে দেশজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিভাগ ও বিভিন্ন সূত্র অনুসারে, সন্দেহজনক মৃত্যুর সংখ্যা দু’শতাধিক কাছাকাছি পৌছে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করা জরুরি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host