বিশেষ প্রতিনিধি, জামালপুর:
ডিজেলের দাম বেড়েছে। সেটা তারা জেনে গেছেন। কিন্তু তাতেও সমস্যা নেই। প্রয়োজনীয় টাকাও তাদের হাতে আছে। হাতে গ্যালন, বড় বোতলও আছে। সন্ধ্যা ছয়টায় জ্বালানি তেল ডিলার পয়েন্টে তেল বিক্রি বন্ধ হয়ে গেছে। ছবিটি ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যা ছয়টা দশ মিনিটে তোলা। এর আগে সেখানে সারাদিন কিছু কৃষক তেল কিনতে পারেন। একই সাথে লাইনে থাকা সাধারণ বাইক চালকদের কাছে পেট্রল বিক্রি করার কারণে এবং ভিআইপি, তদবির ও জরুরি সরকারি বেসরকারি সেবা দানকারী বাইক চালকদের কাছে লাইনের বাইরে বিশেষ ব্যবস্থায় পেট্রল বিক্রি করার কারণে লাইনে থাকা কৃষক ও সাধারণ বাইক চালকেরা জ্বালানি তেল পেতে ধীর গতির শিকার হন। ফলে সন্ধ্যায় তখনও লাইনে আছেন শতাধিক কৃষক। যারা তাদের সেচ পাম্পের জন্য ডিজেল কিনতে এসে সারাদিন লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। কিন্তু দিন শেষে ডিজেল কিনতে না পেরে বাড়ি ফিরে গেছেন তারা। এমন পরিস্থিতি চলমান থাকা মোটেই উচিৎ নয়। বোরো ধানসহ অন্যান্য ফসল আবাদের এই শুকনো মওসুমে ক্ষেতে পানিসেচের পিকসিজন চলছে। একদিকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে প্রতিদিন শহরে আসতেও যাতায়াত খরচ বাবদ অনেক টাকাও খরচ হয়ে যাচ্ছে কৃষকদের। কৃষকদের জন্য জামালপুর জেলা প্রশাসন ও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিশেষ ব্যবস্থা বা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি হয়েছে পড়েছে। ছবিটি জ্বালানি তেল ডিলার পয়েন্ট জুঁই এন্টারপ্রাইজের সামনের চিত্র। অন্যান্য জ্বালানি তেল পাম্পেও কৃষকেরা একই পরিস্থিতির শিকার