কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল করতেই কৃষক কার্ড চালু করেছে সরকার। মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলে কৃষি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘সব শ্রেণিপেশার মানুষকে সাথে নিয়েই দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করা হবে।’ উদ্বোধনের প্রথম দিনে কার্ড পেয়েছেন ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষক। পোশাকে নতুন বছরের রঙ। মাথায় ঐতিহ্যবাহী মাথাল। মনে উচ্ছ্বাস। বাংলা নববর্ষের প্রথমদিনে এভাবেই প্রধানমন্ত্রীর উপহার নিতে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আসেন কৃষাণ-কৃষাণীরা। মঙ্গলবার সাড়ে ১১টায় স্টেডিয়ামের মঞ্চে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী উদ্বোধন করেন কৃষক কার্ড। ১৫ জন কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে দেশের ১২ জেলায় উদ্বোধন করা হয় এই কার্যক্রম। প্রথমদিনে কৃষক কার্ড পেয়েছেন ২০ হাজার ৬৭১ হাজার কৃষক। ১০টি সুবিধাসম্বলিত এ কার্ড পেয়ে উচ্ছ্বসিত কৃষকরা।
কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে কৃষক কার্ডের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বর্তমান নির্বাচিত সরকারের লক্ষ্যই হচ্ছে কৃষককে আত্মনির্ভরশীল ও সচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা। সেইজন্যই এই কৃষক কার্ড আমরা দিয়েছি।’ কৃষিনির্ভর এলাকায় কৃষির সঙ্গে সম্পর্কিত কলকারখানা গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয় তিনি বলেন, ‘এই মঞ্চে যত মানুষ উপস্থিত আছেন হয়তো সবাই সরাসরিভাবে কৃষক বা কৃষির সাথে সম্পৃক্ত নন। কিন্তু আমাদের পরিবারের কেউ না কেউ আছেন, যে মানুষটি কৃষির সাথে সম্পৃক্ত। বাংলাদেশে আমরা যত মানুষ আছি তার মধ্যে চার কোটি পরিবার আছে তাদের পরিবারের কেউ না কেউ কৃষির সাথে সম্পৃক্ত অর্থাৎ এই দেশের প্রধান পেশা হচ্ছে কৃষি।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার সবাইকে সঙ্গে নিয়ে জনগণের ভাগ্য উন্নয়ন করতে চায়। আপনারা নিশ্চয়ই অবগত হয়েছেন যে, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আমরা কৃষকের কাছে সরাসরি ১০টি সুবিধা পৌঁছে দিতে চেষ্টা করব ইনশআল্লাহ। ১০টি সুবিধার মাধ্যমে কৃষক তার অবস্থান অনেক ক্ষেত্রে পরিবর্তন করতে সক্ষম হবেন।’ এরপর পৌর উদ্যানে কৃষি মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে, টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।






