স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক
মিরপুর টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৫২ রান। পাকিস্তানের বিপক্ষে লিড এখন ১৭৯ রানের। তবে অভিজ্ঞ ব্যাটার মুমিনুল হকের ৫০০০ রানের মাইলফলক ছোঁয়ার দিনেও বাংলাদেশের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচে জয়ের কোনো সুতীব্র তাড়না লক্ষ্য করা যায়নি।
বিশেষ করে বৃষ্টির দীর্ঘ বিরতির পর খেলা শুরু হলে প্রত্যাশা ছিল বাংলাদেশ দ্রুত রান তুলে লিড বাড়িয়ে নেবে। কিন্তু শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের ব্যাটিংয়ে সেই চনমনে ভাব দেখা যায়নি। দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের লিড এখনো ১৭৯, যার অর্থ দাঁড়ায় ম্যাচের শেষ দিনেও বাংলাদেশকে আরও অনেকটা সময় ব্যাটিং করতে হবে। এর ফলে চতুর্থ ইনিংসের জন্য পাকিস্তানকে খুব বেশি সময় বা বড় লক্ষ্য—কোনোটিই দিতে পারছে না স্বাগতিকরা। প্রতিপক্ষকে অলআউট করে ম্যাচ জেতার জন্য যে পরিমাণ সময়ের প্রয়োজন, মন্থর ব্যাটিংয়ের কারণে সেই সুযোগটি হাতছাড়া হওয়ার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ।
৫০০০ রানের ক্লাবে মুমিনুল
সোমবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মাইলফলক স্পর্শ করেছেন মুমিনুল হক। নোমান আলীকে বাউন্ডারি মেরে টেস্ট ক্যারিয়ারের ৫০০০ রান পূর্ণ করেন তিনি। তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমের পর তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন মুমিনুল। আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ৫৬ রান।
মুমিনুল ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত তৃতীয় উইকেটে ১০৫ রানের জুটি গড়লেও রান তোলার গতি ছিল মন্থর। দিনের খেলা শেষে শান্ত ৫৮ এবং মুশফিকুর রহিম ১০ রানে অপরাজিত আছেন।
বৃষ্টির বাধা ও মন্থর ব্যাটিং
মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর মিরপুরে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নামলে খেলা দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকে। খেলা পুনরায় শুরু হওয়ার পর উইকেট হাতে থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের ব্যাটাররা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার চেষ্টা করেননি। ফলে হাতে মাত্র একদিন সময় থাকলেও লিড এখনো ২০০-এর নিচে।
এর আগে সকালে দিনের শুরুতে ২৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল বাংলাদেশ। মাহমুদুল হাসান জয় ৫ ও সাদমান ইসলাম ১০ রান করে ফিরে যান। সেখান থেকে মুমিনুল ও শান্ত ইনিংস সামাল দিলেও জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ‘কুইক রান’ তুলতে তারা ব্যর্থ হন। শেষ দিনে দ্রুত রান তুলে ইনিংস ঘোষণা না করলে মিরপুর টেস্ট ড্রয়ের দিকেই গড়াচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।






