সাধারণ শিক্ষার্থীরা ছাত্র শব্দটি মুছে গুপ্ত লিখে দেয়। এরপর শিবিরের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের গালাগাল করে পোস্ট দেয় এবং উসকানি ছড়ায়। এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি লেখা চলছিল। সকালে ক্যাম্পাসে এসে যারা গালগাল করছিল, তাদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে শিবিরের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালান। এতে আমাদের চারজন বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। আমরা তাদের প্রতিহত করেছি।’
ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের প্রচার সম্পাদক জাহিদুল আলম জয় বলেন, ‘সরকারি সিটি কলেজে ছাত্রশিবিরের ওপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালান। ক্লাস ও পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রশিবিরের কর্মীরা অপ্রস্তুত অবস্থায় হামলার শিকার হন। এতে শিবিরের ৫ জন আহত হয়েছেন।’
এ বিষয়ে সরকারি সিটি কলেজের অধ্যক্ষ আবু সালেহ মোহাম্মদ নঈম উদ্দিন বলেন, ‘ক্যাম্পাসে ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে উত্তেজনা ছিল। তাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। পরে প্রশাসন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কলেজে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষ ও মাস্টার্স কোর্সের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।’
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মো. মাহফুজ হাসান সিদ্দিকীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।






