1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেচের জ্বালানি তেল সংগ্রহে লাইনে দাঁড়িয়েছেন গৃহিণীরা জ্বালানি সংকটের কারণে চরম ভোগান্তিতে কৃষক বিদ্যুৎ খাতে বকেয়া ৫২ হাজার কোটি বেড়েছে দাখিল পরীক্ষার্থী রাষ্ট্রের ক্ষতি ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার: কাতারের সাথে শেখ হাসিনা সরকারের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি সত্ত্বেও পিটার হাস থেকে উচ্চমূল্যে এলএনজি ক্রয় তেরখাদায় চিত্রা নদীতে গোসলে নেমে তলিয়ে মৃত্যু, একদিন পর মরদেহ উদ্ধার জামালপুরে ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ও হেরোইনসহ ৭ জন গ্রেফতার এক দফা দাম বাড়ানোর পর ভোক্তাপর্যায়ে আবারও এলপিজির দাম বাড়িয়েছে সরকার চবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার পোস্টার হাতে অবস্থান বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি চরম বিপর্যয়ের মুখে

নিজের মাথায় এসএমজি ঠেকিয়ে গুলি কনস্টেবলের

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৮ সময় দর্শন
স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় (২য় ফেজ) রেলওয়ে পুলিশ লাইন্সের অস্ত্রাগার (ম্যাগাজিন গার্ড) এলাকায় ডিউটিরত অবস্থায় এক পুলিশ কনস্টেবল নিজের চাইনিজ রাইফেল দিয়ে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাটি ঘটে আজ ১৮ই এপ্রিল, শনিবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে। নিহত কনস্টেবলের নাম সম্রাট বিশ্বাস (বিপি নং ৯৯১৮২১৪৯২৯)। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার চরপদ্মবিলা গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম শৈলেন বিশ্বাস এবং মায়ের নাম সবিতা বিশ্বাস। প্রাথমিক তদন্ত ও সিসিটিভি ফুটেজ অনুসারে, ডিউটিরত অবস্থায় তিনি মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে নিজের নামে ইস্যুকৃত চাইনিজ রাইফেল (এসএমজি) দিয়ে মাথায় গুলি করেন। গুলির শব্দ শুনে সহকর্মীরা ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় মৃত অবস্থায় দেখতে পান। ঘটনার খবর পেয়ে খুলনা রেলওয়ে জেলার সিনিয়র রেলওয়ে পুলিশ সুপার (এসআরপি) আহমেদ মাইনুল হাসানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান।

পুলিশ সূত্র জানায়, নিহত কনস্টেবল সম্রাট বিশ্বাসের স্ত্রী পূজা বিশ্বাস সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত একজন মহিলা পুলিশ সদস্য।

মৃত্যুর কারণ হিসেবে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যাই ধরা হচ্ছে। তবে মানসিক অবস্থা বা অন্য কোনো কারণ ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলে সিসিটিভি সার্বক্ষণিক মনিটরিং থাকলেও এ ধরনের করুণ ঘটনা ঘটে যাওয়ায় পুলিশের মানসিক স্বাস্থ্য সেবা ও ডিউটিরত সদস্যদের তদারকির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যদি আগে থেকে নিহতের মানসিক অবস্থা ধরতে পারতেন তাহলে হয়তো এমন ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো বলে অনেকে মনে করছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host