এ বিষয়ে ভুক্তভোগী দোকানিরা জানান, কাফী একটি জিডি ও প্রবেশপত্রের দুটি আবেদন করেন, যার বিল আসে ২৮০ টাকা। তবে তিনি কম দিতে চাইলে দোকানি তা নিতে অস্বীকৃতি জানালে কাফী বলেন, তুমি আমাকে চিনো? দোকান বন্ধ করে দেব। এরপর দোকানের মালিক হিমেলের ওপর চেয়ার-টেবিল ছুঁড়ে ৪-৫ জন মিলে এলোপাথাড়ি মারধর শুরু করেন। পরে দোকানের শাটার বন্ধ করে দেয়। অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল কাফী বলেন, সন্ধ্যার দিকে কম্পিউটারের কিছু কাজ করতে আমি হিমেলের কম্পিউটার দোকানে যাই। পরে বিল দেওয়াকে কেন্দ্র করে একপর্যায়ে বাগবিতণ্ডা হয়। তখন তারাও কিছুটা উগ্র আচরণ করে, আমিও একজন শিক্ষার্থী হিসেবে বিষয়টি খারাপ লাগে। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে প্রক্টর, দোকান মালিক এবং আমাদের সিনিয়রদের উপস্থিতিতে বিষয়টি সমঝোতা করা হয়েছে।
মারধর ও চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এমন কিছুই হয়নি। হাতাহাতির সময় চেয়ার-টেবিল থাকলে সেগুলো পড়ে গিয়ে ভেঙে যেতে পারে। তবে চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ির কোনো ঘটনা ঘটেনি।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান বলেন, আমরা ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গেই প্রক্টরিয়াল টিম সেখানে উপস্থিত হয়। পরে জানতে পারি, উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। তবে দোকানির ওপর চেয়ার নিক্ষেপের বিষয়টি সত্য। তারা ভবিষ্যতে আর কোনো ধরনের ঝামেলায় জড়াবে না মর্মে আমাদের আশ্বস্ত করেছে। এরপরও যদি এমন কোনো ঘটনা ঘটে, তবে আমরা কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব।






