গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে তারাবির নামাজ শেষে স্থানীয় মসজিদ থেকে বাসায় ফেরার পথে নিখোঁজ হয় রনি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরদিন স্থানীয় একটি জঙ্গলের ভেতর আগুনে পোড়া অবস্থায় তার লাশ দেখতে পান এলাকাবাসী। নিহতের মাথা থেকে কোমর পর্যন্ত অংশ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের দাদা মো. তারা মিয়া বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পিবিআই জানায়, থানা পুলিশের পাশাপাশি তারা মামলাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে স্থানীয় একটি দোকানের কর্মচারী ছাব্বির আহম্মেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, ঘটনার রাতে জঙ্গলের ভেতর বসে গাঁজা সেবন করছিল ছাব্বির আহম্মেদ। এ সময় সেখানে গিয়ে তাকে দেখে ফেলে রনি। বিষয়টি অন্যদের জানিয়ে দেওয়ার কথা বললে ছাব্বির তাকে একাধিকবার অনুরোধ করে বিষয়টি গোপন রাখতে। কিন্তু রনি রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ছাব্বির পেছন দিক থেকে তাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় এবং ঘাড় মটকে গলা চেপে ধরে। এতে ঘটনাস্থলেই রনির মৃত্যু হয়। পরে হত্যাকাণ্ড আড়াল করতে লাশটি জঙ্গলের ভেতর আগুনে পুড়িয়ে রেখে পালিয়ে যায় সে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে। পিবিআই জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।






