২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর হত্যাকাণ্ড আর আতঙ্কের জনপদে পরিণত হয়েছে চট্টগ্রামের রাউজান। স্থানীয়রা আশা করছে, নতুন সরকার শান্তি আনবে এলাকায়। আর গত দেড় বছর ধরে চলা রাউজানের হত্যাকাণ্ড ও সন্ত্রাস নির্মূল করতে চান নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরী। পাশাপাশি সন্ত্রাস দমনে মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছে সরকারি দল।
গত দেড় বছরে রাউজানে হত্যা, চাঁদাবাজি, অপহরণের মতো ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। রাজনৈতিক বিরোধে নানা দল ও গ্রুপে বিভক্ত নেতা-কর্মীরা জড়িয়ে পড়েছেন সংঘাতে। এই সময় অন্তত ২০টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে অর্ধেকের বেশি রাজনৈতিক ছত্রছায়ায়।
তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থিতিশীল হতে শুরু করেছে এখানকার পরিস্থিতি। আগে বিএনপির রাজনীতিতে বেশ কয়েকটি পক্ষ সক্রিয় থাকলেও এখন সবাইকে এক জায়গায় এনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সন্ত্রাস ও মাদকের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নিয়েই মাঠে নামার ঘোষণা নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের।
চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, ‘সন্ত্রাস যদি থাকে আমি নেই, আমি যদি থাকি সন্ত্রাস নেই। এ ধরনের কঠিন অবস্থান আমি নিয়েছি।’
অশান্ত রাউজানে শান্তি ফিরিয়ে আনতে সমন্বিত উদ্যোগের কথা বলছে সরকারি দলের নেতা-কর্মীরা। এ ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দলীয় কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণের অংশগ্রহণ জরুরি মনে করছে সন্ত্রাস বিরোধী কমিটি।
রাউজান উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ফিরোজ আহমেদ বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত যাতে কোনো সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজ আশ্রয় বা প্রশ্রয় না পায় সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
রাউজান উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আজম ছোটন বলেন, সন্ত্রাস নির্মূলে এলাকার সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।






