স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় তাঁর স্বামী, অভিনেতা জাহের আলভী, শাশুড়ি নাসরিন সুলতানা শিউলি ও অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথিসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তবে মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত আলভীর কোনো খোঁজ মিলছে না। রোববার (১ মার্চ) বিকেলে নেপাল থেকে তাঁর দেশে ফেরার কথা শোনা গেলেও এখন পর্যন্ত তাঁকে জনসম্মুখে দেখা যায়নি। এমনকি ইকরার শেষ বিদায়েও তিনি উপস্থিত ছিলেন না। বর্তমানে কেউ বলতেও পারছেন না আলভী কোথায়! সব মিলিয়ে, আলভীকে নিয়ে শোবিজ অঙ্গনে ধোঁয়াশা ও উত্তেজনা বাড়ছে। তাঁর ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্রের ভাষ্য, রোববার বিকেলে জাহের আলভী নেপাল থেকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। এরপর বেশ কিছুক্ষণ বিমানবন্দরের ভেতরেই অবস্থান করেন। কয়েক ঘণ্টা পর একজনের মধ্যস্থতায় তিনি বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে আসেন। নেপালে শুটিংয়ে থাকাকালীন সেখানে আলভীর সঙ্গে তাঁর সেই কথিত প্রেমিকাও ছিলেন, যাঁকে নিয়ে স্ত্রী ইকরার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল। অভিনেতা জানিয়েছিলেন, নেপাল থেকে ফেরার পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হবেন। তবে তা হয়নি, বর্তমানে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। অভিযুক্ত তিথি ও তাঁর ব্যক্তিগত ফোন নম্বর, হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুকসহ সব ধরনের যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিমানবন্দরের অভিবাসন পুলিশের কাছে এজাহারের কপি পাঠানো হলেও আলভীকে গ্রেপ্তার কিংবা তাঁর উপস্থিতি নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। শোবিজে আলভীর ঘনিষ্ঠদের কেউ কেউ বলছেন, এভাবে গা ঢাকা দিয়ে থাকলে সামনে আলভীর বিপদই বাড়বে। তাঁর উচিত বিষয়টি নিয়ে কথা বলা। সেদিন কী এমন ঘটনা ঘটেছিল যে ইকরাকে আত্মহত্যা করতে হয়েছে!
রোববার (১ মার্চ) রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী থানায় ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে ইকরার স্বামী আলভী ও তাঁর পরিবারের কয়েকজনের নামে মামলা দায়ের করেন। তবে এখন পর্যন্ত আলভীর অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পায়নি পুলিশ। পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জানান, ‘আলভীর ব্যাপারে এখন পর্যন্ত আমরা কোনো তথ্য পাইনি। তবে মামলা হয়েছে, তদন্ত চলমান।’








