1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

চুক্তি হোক বা না হোক, খুব শিগগিরই ইরান ছেড়ে চলে যাবে যুক্তরাষ্ট্র: ডোনাল্ড ট্রাম্প

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৫ সময় দর্শন

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে চলমান সামরিক অভিযান খুব শিগগিরই শেষ করা হবে এবং চুক্তি হোক বা না হোক যুক্তরাষ্ট্র দেশটি থেকে সরে যাবে।

হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমরা দুই বা তিন সপ্তাহের মধ্যেই ইরান ছেড়ে চলে যাব।”

তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য ছিল ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা এবং সেই লক্ষ্য ইতোমধ্যেই পূরণ হয়েছে।

তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র এখন “শেষ কাজটি সম্পন্ন করছে” এবং এরপরই সেনা প্রত্যাহার করা হবে। ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, ইরান বর্তমানে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে এবং তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে আগ্রহী।

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো চুক্তি করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য নয়। তিনি বলেন, “ইরান চুক্তি না করলেও চলবে, আমরা তখনই চলে যাব যখন নিশ্চিত হব তারা বহু বছর ধরে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না।”

জ্বালানির দাম বৃদ্ধির বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরান থেকে সরে গেলে তেলের বাজার দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য দেশকে নিজ নিজ জ্বালানি নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান এবং ইঙ্গিত দেন যে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে আগের মতো ভূমিকা নাও রাখতে পারে।

তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানের আকাশসীমায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে এবং দেশটির নৌ ও সামরিক শক্তি প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে। ট্রাম্পের ভাষায়, ইরানের নতুন নেতৃত্ব আগের তুলনায় কম উগ্র এবং বেশি বাস্তববাদী।

এদিকে প্রায় পাঁচ সপ্তাহ ধরে চলা এই সংঘাতে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই ইরান ও লেবাননের বাসিন্দা। যুদ্ধের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং তারা অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

বিশ্ব অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ এই পথ দিয়ে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়। চলমান সংঘাতের কারণে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থানের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। তবে বাস্তবে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নির্ভর করবে ইরানের প্রতিক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপর।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host