আরেকটা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, আরেকবার সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ পাকিস্তান। এ নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো বৈশ্বিক এ টুর্নামেন্টের শেষ চারের আগেই বিদায় নিল দলটি। অথচ এবার সুযোগ ছিল সেই আক্ষেপ পূরণের। আর সেটা করতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গতকাল শনিবার অন্তত ৬৪ রানে জিততে হতো পাকিস্তানকে। পাকিস্তান জিতেছে বটে, কিন্তু সেটা ৫ রানের ব্যবধানে। তাতে সুপার এইট থেকেই বিদায় নিশ্চিত হয় সালমানদের। এমন বিদায়ের স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তান দলকে নিয়ে সমালোচনা চলছে। বিশেষ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসীন নাকভি মোটেও খুশি নন দলের পারফরম্যান্সে। আর এ কারণে টি-টোয়েন্টি সংস্করণের অধিনায়কত্ব হারাতে যাচ্ছেন সালমান আলী আঘা! পাশাপাশি বাবর আজম-উসমান খানদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে। সূত্রের বরাতে পিটিআই উল্লেখ করেছে, ‘নাকভি মোটেও খুশি নন। কারণ নির্বাচক, টিম ম্যানেজমেন্ট এবং তাঁর ঘনিষ্ঠজনেরা তাঁকে আশ্বাস দিয়েছিল যে, পাকিস্তান দল দল বিশ্বকাপে ভালো করবে।’ ওই প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, টি–টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আলী আঘাকে সরানোর সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত করেছেন নাকভি। এ বিষয়ে প্রধান কোচ মাইক হেসন ও নির্বাচকদের সঙ্গে আলোচনা করবেন তিনি। ওই আলোচনায় কথা হবে বাবর আজমসহ কয়েকজন ক্রিকেটারের ভবিষ্যৎ নিয়েও। এ প্রসঙ্গে ওই সূত্র বলেছে, ‘বিশ্বকাপের পর সালমান, বাবর আজম, উসমান খানসহ আরও কয়েকজনের আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের পর্দা নামতে পারে।’ তা সালমানের পর পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক কে হবেন? এ নিয়ে ওই সূত্র জানিয়েছে, সালমানের বিকল্প হিসেবে নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে আছেন শাদাব খান ও শাহিন শাহ আফ্রিদি। সূত্র আরও জানিয়েছে, পাকিস্তানের কোচ হেসন নাকভিকে পরামর্শ দিয়েছেন, কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে তরুণদের ওপর বিনিয়োগ করতে হবে এবং আধুনিক টি–টোয়েন্টির চাহিদার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। কয়েকদিন পরই পাকিস্তানের টি–টোয়েন্টি কাঠামোয় বড় পরিবর্তন দেখতে পাওয়া যাবে বলেও জানিয়েছে ওই সূত্র।






