স্বপ্ন প্রতিদিন রিপোর্ট
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বড় অঘটন ঘটিয়েছে জিম্বাবুয়ে। কলম্বোর আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছে রোডেশীয়রা। শুক্রবার গ্রুপ ‘বি’-এর ম্যাচে র্যাঙ্কিংয়ের ১১ নম্বর দলটি পাত্তাই দেয়নি সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের। টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামা জিম্বাবুয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে। ব্রায়ান বেনেটের ৫৬ বলে খেলা অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংসটি ছিল জিম্বাবুয়ের সংগ্রহের মূল ভিত্তি। তরুণ এই ব্যাটসম্যানের এটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১০ম হাফ-সেঞ্চুরি। তার ইনিংসে ছিল সাতটি চারের মার। ওপেনিংয়ে তাদিওয়ানাশে মারুমানির সঙ্গে ৬১ রানের জুটির পর দ্বিতীয় উইকেটে রায়ান বার্লের সঙ্গে ৭০ রানের রেকর্ড জুটি গড়েন বেনেট। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটিই জিম্বাবুয়ের যেকোনো উইকেটে সর্বোচ্চ রানের জুটি। ১৭০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। ব্লেসিং মুজারাবানি ও ব্র্যাড ইভান্সের তোপে মাত্র ২৯ রানেই ৪ উইকেট হারায় অজিরা। মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে অজি ব্যাটিং লাইনআপ একাই ধসিয়ে দেন মুজারাবানি। পঞ্চম উইকেটে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও ম্যাট রেনশ ৭৭ রান যোগ করে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিয়েছিলেন। তবে পার্ট-টাইম লেগ স্পিনার রায়ান বার্লের বলে ম্যাক্সওয়েল (৩১) বোল্ড হয়ে ফিরলে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ১৯.৩ ওভারে ১৪৬ রানে অলআউট হয় দ্বিতীয় র্যাঙ্কিংয়ের দলটি। চোটের কারণে নিয়মিত অধিনায়ক মিচেল মার্শ এবং মূল বোলার প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজেলউডকে ছাড়াই মাঠে নামতে হয়েছিল অস্ট্রেলিয়াকে। এর মধ্যে আবার ফিল্ডিংয়ের সময় হাতে চোট পান মার্কাস স্টয়নিস। টিম ডেভিড একাদশে ফিরলেও দুই বল খেলে কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন। প্রথম ম্যাচে ওমানকে হারিয়ে শুভসূচনা করা জিম্বাবুয়ে এই জয়ে সুপার এইটের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল। অন্যদিকে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে জিতলেও শ্রীলঙ্কা ও ওমানের বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচগুলো এখন অস্ট্রেলিয়ার জন্য বাঁচা-মরার লড়াই হয়ে দাঁড়িয়েছে।