1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিদ্যুৎ খাতে বকেয়া ৫২ হাজার কোটি বেড়েছে দাখিল পরীক্ষার্থী রাষ্ট্রের ক্ষতি ৮৫৫ মিলিয়ন ডলার: কাতারের সাথে শেখ হাসিনা সরকারের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি সত্ত্বেও পিটার হাস থেকে উচ্চমূল্যে এলএনজি ক্রয় তেরখাদায় চিত্রা নদীতে গোসলে নেমে তলিয়ে মৃত্যু, একদিন পর মরদেহ উদ্ধার জামালপুরে ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবা ও হেরোইনসহ ৭ জন গ্রেফতার এক দফা দাম বাড়ানোর পর ভোক্তাপর্যায়ে আবারও এলপিজির দাম বাড়িয়েছে সরকার চবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার পোস্টার হাতে অবস্থান বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি চরম বিপর্যয়ের মুখে উপসাগরের যুদ্ধ অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে পাকিস্তানকে  কলেজে ঢুকে অধ্যক্ষের ওপর হামলার অভিযোগ

‘হাসনাত-সারজিসকে ফোন দিলে ধরে না, কবর জিয়ারতেও আসেনা কেউ’, নিহত সাদমানের মা

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৭ সময় দর্শন
স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটাতে গিয়ে নিহত কুমিল্লার হামিদুর রহমান সাদমানের মা কাজী শারমিন আক্তার তার ছেলেসহ অন্যদের আন্দোলনে নামানো বৈষম্যবিরোধী নেতাদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, প্রয়োজনের সময় অনেক নেতা ফোন ধরেন না, এমনকি তার ছেলের কবর জিয়ারত করতেও কেউ আসে না।

বুধবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদপ্রার্থী ও জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে নিহত সাদমানের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।

কাজী শারমিন আক্তার বলেন, “আমার ছেলে জুলাইয়ে রক্ত দিয়েছে, আর এখন অনেকে বড় নেতা হয়ে গেছে। কিন্তু প্রয়োজনে আমরা তাদের পাই না, ফোনও ধরেন না। আমার ছেলের কবর জিয়ারতেরও সময় তাদের হয় না—এটা খুবই দুঃখজনক।”

তিনি আরও বলেন, “যাদের রক্তের বিনিময়ে ওরা ক্ষমতা ও পদ পেয়েছে, তাদের সেই ইতিহাস মনে রাখা উচিত।”

এ সময় তিনি ছেলের রক্তমাখা রুমাল হাতে নিয়ে বলেন, “এই রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে। এই রক্তের দায় আছে। দেশের জন্য কোনো এমপি বা মন্ত্রীর সন্তান নিহত হয়নি।”

এ সময় উপস্থিত তারিকুল ইসলাম বলেন, জুলাই চেতনা ধারণকারীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে।

তিনি দাবি করেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে নিহতদের স্বপ্ন পূরণ হবে না।”

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার এ বিষয়ে গড়িমসি করছে, এবং প্রয়োজনে আবারও আন্দোলনে নামার ইঙ্গিত দেন।

মেয়র প্রার্থী হিসেবে নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, “নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগে আমি নিহতের পরিবারের দোয়া নিতে এসেছি। শুধু দোয়া নয়, তাদের পাশে থাকার দায়িত্বও নিতে চাই।”

তারিকুল ইসলাম আরও বলেন, জুলাইয়ে কুমিল্লার অবদান গুরুত্বপূর্ণ এবং সাদমানের মতো তরুণদের আত্মত্যাগ দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনে বড় ভূমিকা রেখেছে। তাদের এই ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লা মহানগরের আহ্বায়ক আবু রায়হানসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host