আহত রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত ৬ এপ্রিল রাতে অনলাইন ট্রেনিংয়ে থাকার সময় আমার মোবাইলে কল দেন চিতলমারীর বড়বাড়িয়া গ্রামের রাসেল। তখন কলটি গ্রহণ করে ট্রেনিংয়ে আছি বলে কেটে দিই। ৭ এপ্রিল আবার রাসেল কয়েকবার কল দিলে ব্যস্ততার কারণে কলটি গ্রহণ করতে পারিনি। পরদিন মাদরাসায় এসে ছাত্রদল নেতা পরিচয়ে হুমকি দিয়ে আমাকে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে আমাকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। চিতলমারী থানায় মামলা করার পরও রাসেল প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়িয়েছে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে তাকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাসেল শেখ যুবদলের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন দাবি করে বলেন, রফিকুল ইসলাম ও তাঁর শ্বশুর মাছুদুর রহমান মাদরাসায় চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাঁর কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছেন। অনেক দিন হয়ে গেলেও সেই টাকা ফেরত দেননি আর চাকরিও দেননি। তবে হাতুড়িপেটার বিষয়টি এড়িয়ে যান রাসেল শেখ।
চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সহকারী অধ্যাপককে মারধরের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। তাঁকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।






