1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ১০:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্বকাপকে সামনে রেখে প্রাথমিক দল ঘোষণা করল আর্জেন্টিনা ২০ বেডে ভর্তি ৮৭ শিশু, কক্সবাজারে হামের ভয়াবহতা বিরামপুরের বেপারীটোলা-গেন্দা বাজার সড়কে অনিয়ম নিয়ে ক্ষোভ: জনগণের টাকায় দায়সারা কাজের অভিযোগ বাংলাদেশের ব্যাটিং অ্যাপ্রোচে জয়ের কোনো সুতীব্র তাড়না নেই স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের ৪৫ হাজার কোটি টাকা থেকে ইউনূস-নুরজাহান জুটির ব্যয় মাত্র ১৭% বাঁশখালীর আদি নিমকালী মন্দিরে দুর্ধর্ষ চুরি জুলাই আন্দোলনের মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন বহাল সাংবাদিক শাকিল-রুপার জামিন, তবুও মিলছে না মুক্তি বেপরোয়া চট্টগ্রামের শিবির-সাজ্জাদের বাহিনী অবৈধ বালু উত্তোলনে ক্ষতবিক্ষত গড়াই তীররক্ষা বাঁধ, আতঙ্কে খোকসার নদীপাড়ের মানুষ

ভাতার টাকা জনগণের, মাঝে সঠিক ভাবে বিতারন করা হবে চেয়ারম্যান প্রার্থী মানবিক শাহিদুল’ এর ব্যতিক্রমী প্রতিশ্রুতি

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬
  • ১৪ সময় দর্শন
তেরখাদা প্রতিনিধি :
“আমার জীবনে চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই, আমি শুধু মানুষের সেবা করতে চাই” — এই প্রত্যয় নিয়েই আসন্ন ২ নং বারাসাত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে যাচ্ছেন সবার সুপরিচিত মুখ মোঃ শাহিদুল ইসলাম। যিনি ইতোমধ্যেই ইউনিয়নবাসীর কাছে “মানবিক শাহিদুল” নামে পরিচিত।
সিঙ্গাপুর প্রবাসী এই সমাজসেবক নির্বাচনের আগেই চমকপ্রদ দুটি প্রতিশ্রুতি দিয়ে আলোচনায় এসেছেন। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হলে তিনি সরকারি ভাতার সম্মানী এক টাকাও নিজের নেবেন না। চেয়ারম্যান হিসেবে প্রাপ্ত সম্মানী ভাতার পুরো টাকাই তিনি ইউনিয়নের অসহায়, দুঃস্থ ও দরিদ্র মানুষের মাঝে বিলিয়ে দেবেন।
শুধু তাই নয়, নির্বাচিত হলে নিজস্ব অর্থায়নে তিনি ২ নং বারাসাত ইউনিয়নবাসীর জন্য “ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস” চালু করবেন। মধ্যরাতে কেউ অসুস্থ হয়ে টাকার জন্য যেন চিকিৎসা আটকে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই তার এই উদ্যোগ।
কে এই মানবিক শাহিদুল?
মোঃ শাহিদুল ইসলাম শুধু একজন প্রবাসী নন। তিনি ‘তেরখাদা উপজেলা মানবিক স্বেচ্ছাসেবী সমন্বয় সংগঠন’, ‘শেখ হাবিবুর রহমান ফাউন্ডেশন’ এবং ‘আলোকিত সমাজ গড়তে চাই’ — এই তিনটি মানবিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা। গত কয়েক বছর ধরে এই সংগঠনগুলোর মাধ্যমে তিনি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে নীরবে কাজ করে যাচ্ছেন।
তার মানবিক কার্যক্রম:
১. ঈদ উপহার:প্রতিটি ঈদে ইউনিয়নের প্রায় সব গ্রামের শত শত অসহায় পরিবারের দোরগোড়ায় তিনি ঈদ সামগ্রী পৌঁছে দেন।
২. আর্থিক সহায়তা: হঠাৎ অসুস্থ, ঘর পোড়া বা মেয়ের বিয়েতে আটকে পড়া পরিবারগুলোকে তার সংগঠন থেকে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।
৩. সামাজিক উন্নয়ন: রাস্তা সংস্কার, টিউবওয়েল স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে তিনি ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করেন।
এ বিষয়ে মোঃ শাহিদুল ইসলাম বলেন,
“আমি সিঙ্গাপুরে থাকি, আল্লাহ আমাকে যথেষ্ট দিয়েছিলেন। ইউনিয়নবাসীর ভালোবাসাই আমার সম্পদ। চেয়ারম্যানি আমার কাছে সেবা করার একটি বড় সুযোগ মাত্র। আমার সম্মানী ভাতার টাকা দিয়ে যদি একজন গরিবের ওষুধ কেনা হয়, একজন বিধবার মুখে হাসি ফোটে—সেটাই আমার প্রাপ্তি।”
জনগণের কণ্ঠে ‘জনতার চেয়ারম্যান’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ৫ নং ওয়ার্ডের এক বৃদ্ধা বলেন, “শাহিদুল বাবা গত ঈদে আমার ঘরে সেমাই-চিনি পাঠাইছে। আমার মতো বেওয়ারিশের খোঁজ কেউ নেয় না। ও যদি চেয়ারম্যান হয়, আমাদের মতো গরিবরা বাঁচবে।”
ইতোমধ্যেই সাধারণ মানুষের মুখে মুখে তিনি “জনতার চেয়ারম্যান” হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। ইউনিয়নবাসীর প্রত্যাশা, ভোটের মাঠে শেষ পর্যন্ত মানবিক শাহিদুলই হবেন তাদের কাণ্ডারি।
কেন এই নিউজটি ভাইরাল হবে:
১. ব্যতিক্রমী প্রতিশ্রুতি — “ভাতা নেব না” আর “ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স” — এই দুটি কথা মানুষের মনে সরাসরি আঘাত করে।
২. প্রবাসী + মানবিক ট্যাগ— টাকা কামাতে নয়, সেবা করতে এসেছেন — এই ন্যারেটিভ খুব শক্তিশালী।
৩. প্রমাণিত কাজ — ঈদ সামগ্রী, সংগঠন, আর্থিক সহায়তা — মানুষ আগে থেকেই জানে, তাই বিশ্বাস করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host