1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালির টোল থেকে প্রথম আয় পেল ইরান চরম বিপর্যয়ের মুখে দেশের পোল্ট্রি শিল্প হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ গেল ২৬ শিশুর: চট্টগ্রামে নিউমোনিয়ার রুদ্ররূপ সরকারের সমালোচনায় গ্রেপ্তার ৪, পুরোনো দমন-পীড়নের পুনরাবৃত্তি: হিউম্যান রাইটস ওয়াচ হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু ২৪ ঘণ্টায় ৯ শ্রমিক অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবি: আতঙ্কে বান্দরবানের রাবার চাষিরা ভারতের বিধানসভা নির্বাচন: হিলি স্থলবন্দরে একদিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যের আড়ালে সার্বভৌমত্ব বিক্রি! দেশের গণপরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ করেছে সরকার সেচ পাম্পের মালিক ৭ হাজার, ফুয়েল কার্ড পেয়েছে মাত্র ২ হাজার: ফসল বাঁচাতে দিশেহারা কৃষক

২৪ ঘণ্টায় ৯ শ্রমিক অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবি: আতঙ্কে বান্দরবানের রাবার চাষিরা

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৫ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

বান্দরবানের শান্ত পাহাড় আবারও অশান্ত হয়ে উঠেছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক দুটি স্থানে হানা দিয়ে দুই রাবার বাগান থেকে ৯ জন শ্রমিককে অপহরণ করেছে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা। গতকাল ২২শে এপ্রিল, বুধবার দিন ও রাতে ঘটে যাওয়া এই জোড়া অপহরণের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সর্বশেষ তথ্যমতে, বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে বান্দরবান সদরের টংকাবতী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হাতিরডেরা এলাকায় একটি রাবার বাগানে সশস্ত্র গোষ্ঠী হানা দেয়। সেখান থেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ৬ জন শ্রমিককে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। অপহৃতরা হলেন: মো. ইসমাইল, মো. আরাফাত, মো. শফিক, মো. নুরুল আফসার, মো. কলিমুল্লা ও মো. রমিত প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অপহৃত শ্রমিকদের সবার বাড়ি বান্দরবানের লামা উপজেলায়। অপহরণকারীরা ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়েছে বলে জানা গেছে। মুক্তিপণ দেওয়া না হলে অপহৃত শ্রমিকদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এর আগে বুধবার ভোররাত ৩টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নে এক দুর্ধর্ষ অপহরণের ঘটনা ঘটে। ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল করিম বান্টুর মালিকানাধীন রাবার বাগানের স্টাফ কোয়ার্টার থেকে ৩ জন শ্রমিককে অপহরণ করে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। অপহৃতরা হলেন: এনামুল হক (২৪), মোহাম্মদ হাসান (২৬) ও নুরুল ইসলাম (২৮) তারা সবাই কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাসিন্দা এবং গত ২-৩ বছর ধরে ওই বাগানে কর্মরত ছিলেন। বাগান মালিকের ভাষ্যমতে, এখন পর্যন্ত কোনো মুক্তিপণ দাবি করা হয়নি। পাহাড়ে একের পর এক অপহরণের ঘটনায় শ্রমিক সংকটে ভুগছে বাগানগুলো।

স্থানীয়দের মতে, দুর্গম এলাকাগুলো এখন অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। বাইশারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলম এবং স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বাইশারীর আলিক্ষ্যং মৌজার পুলিশ ক্যাম্পের পাশাপাশি ছাগলখাইয়া এলাকায় একটি স্থায়ী সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা এখন সময়ের দাবি। স্থানীয় এক বাগান মালিক বলেন, “পাহাড়ি এলাকাগুলোয় নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে শ্রমিকরা কাজ করতে ভয় পাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে এই গুরুত্বপূর্ণ শিল্পটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে।”

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ সরদার জানান, খবর পাওয়ার পর থেকেই অপহৃতদের উদ্ধারে পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে। শ্রমিকদের জীবন রক্ষায় এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে সর্বোচ্চ তৎপরতা চালানো হচ্ছে। শ্রমিকদের পরিবারে এখন কান্নার রোল। মুক্তিপণ নাকি অন্য কোনো কারণে এই অপহরণ—তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host