কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে এক আস্তানায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের পর কথিত পীরকে হত্যার ঘটনায় পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি, সেনাবাহিনী ও র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যও ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেছেন।
শনিবার বেলা ৩টার দিকে এই ঘটনা ঘটলেও আজ রোববার সকাল পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নিহতের মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। রোববার সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়নি বলে জানিয়েছে পরিবার। ময়নাতদন্ত শেষে দরবার সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের কথা রয়েছে। তবে এক্ষেত্রেও শঙ্কার মধ্যে আছে নিহতের পরিবার।
নিহতের বড় ভাই ফজলুর রহমান বলেছেন, দাফনের পরেই পরিবারের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখনো পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি, তবে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
এর আগে গতকাল শনিবার দুপুরে উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের দারোগার মোড় এলাকায় ‘শামিম বাবার দরবার শরিফ’ নামের ওই স্থাপনাটিতে এ ঘটনা ঘটে। এতে নিহত হন আব্দুর রহমান ওরফে শামিম (৬৫)। তিনি ওই দরবারের প্রধান ছিলেন। হামলায় তাঁর আরও তিন অনুসারী আহত হয়েছেন। তারা হলেন–মহন আলী, জামিরুন নেছা ও জুবায়ের। তারা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।






