1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজধানীতে সরবরাহ থাকলেও নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি ইরান এমন যুদ্ধবিরতি চায় না যা শত্রুদের আবারও হামলার সুযোগ দেবে: উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তখত রাভেনচি তেরখাদায় এমপি হেলালের নির্দেশনায় খাল পরিষ্কারে মাঠে নেমে সরাসরি শ্রম দিলেন বিএনপি নেতা মিল্টন মুন্সি কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পিয়াল বিমানবন্দরে আটক বাংলাদেশে নিযুক্ত হাইকমিশনারকে বেলজিয়াম ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে রাষ্ট্রদূত করে নিয়ে যাচ্ছে ভারত ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু আজ সেফটিপিন দিবস গার্বেজ গিলে বেঁচে থাকার সিদ্ধান্ত প্রত্যেকের নিজের, এতে ইতিহাসের সত্য বদলায় না বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু জন্মের আগেই যার ক্রিকেট যাত্রার শুরু: আইপিএলে ৭ ছক্কার নায়ক

গ্রীষ্মের আগেই চ্যালেঞ্জের মুখে বিদ্যুৎখাত

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৪ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন রিপোর্ট

গ্রীষ্মের আগেই চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বিদ্যুৎখাত। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদাও উঠছে প্রায় ১৫ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত। জ্বালানি সংকটে উৎপাদন কমায়, লোডশেডিং ছাড়িয়েছে ১ হাজার মেগাওয়াট। মন্ত্রী বলছেন, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সহনীয় রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাসা-বাড়িতে গ্রীষ্মে কিছুটা লোডশেডিং যৌক্তিক। তবে শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার তাগিদ দিয়েছেন তাঁরা। দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। কিন্তু উৎপাদন হচ্ছে ৫ হাজার মেগাওয়াটের আশপাশে। জ্বালানির অভাবে অলস পড়ে আছে অনেক কেন্দ্র। চলতি বছর মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে কাতার ও ওমান থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ হচ্ছে না। ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ নেমেছে ৯০ কোটি ঘনফুটের ঘরে। গত বছর যা ছিল ১১০ কোটি ঘনফুট। সেইসঙ্গে তরল জ্বালানির মজুতও কমেছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘যুদ্ধ যতদিন থাকবে ততদিন এই ক্রাইসিস থাকবে। তার পরও আমরা অন্য যে সকল গ্যাস আমদানির সোর্স রয়েছে সেগুলো থেকে আমদানির ব্যবস্থা করছি। তবে অবস্থা অসহনীয় হবে না, সহনীয়ই থাকবে। জ্বালানি না থাকলে তো বিদ্যুৎ প্রডিউস সম্ভব নয়।’

সোমবার রাত ৯টায় সারা দেশে ১৪ হাজার ৮৯০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে লোডশেডিং হয় ৯৯৬ মেগাওয়াট। ওইদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় লোডশেডিং ছিল ১০৮৩ মেগাওয়াট। ভারতের আদানির ঝাড়খন্ড কেন্দ্রের একটি ইউনিট থেকে মিলছে ৭৬৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ। অন্যান্য উৎস থেকে আমদানি প্রায় ১১০০ মেগাওয়াট।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, জ্বালানি সংকটকালে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে গ্রাহকদের সচেতন হতে হবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ শফিকুল আলম জানান, জ্বালানির সমস্যা এরকম চললে সামনের দিনগুলোতে সাফার করার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। ইমিডিয়েটলি সরকারকে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া এবং বাসা-বাড়িতে পরিকল্পিত লোডশেডিং করে কারখানাগুলো যেন ঠিকভাবে চলে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। গ্রাহক পর্যায়েও সচেতনতা জরুরি।

চলতি সপ্তাহে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সর্বোচ্চ ৭৬১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসে সৌরশক্তি থেকে। এ ছাড়া নিয়মিত বায়ু ও জলবিদ্যুৎ মিলছে ১০০ মেগাওয়াটের মত। কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে এ মৌসুমে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ২০৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ মিলেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host