ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ওই শিশুটি হামের উপসর্গের পাশাপাশি মৃগীরোগ ও শারীরিক বিকাশজনিত (জিডিডি) জটিলতায় ভুগছিল। গত ১৭ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালটিতে হাম ও সংশ্লিষ্ট জটিলতায় মোট ১০ জন শিশুর প্রাণহানি ঘটল। হাসপাতাল সূত্র জানায়, সবশেষ মারা যাওয়া শিশুটি ময়মনসিংহ সদর এলাকার বাসিন্দা। গত ২ এপ্রিল তাকে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের গত ২৪ ঘণ্টার পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নতুন করে আরও ২০ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৩ জন। বর্তমানে হাসপাতালের নতুন ভবনের ৮ম তলায় স্থাপিত ডেডিকেটেড ইউনিটে ৭২ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
চলতি বছরের ১৭ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত মমেক হাসপাতালে হাম আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪৪ জনে। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে ২৬২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম ইউনিটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. গোলাম মাওলা জানান, বর্তমানে অনেক শিশু হামের সঙ্গে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ার মতো উপসর্গ নিয়ে আসছে। রোগটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে হওয়ায় এটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ডেডিকেটেড ইউনিটে নিরলস কাজ করছেন চিকিৎসকরা।