1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

বাজারে সোনালী মুরগির রেকর্ড দাম, গায়েব সয়াবিনের বোতল

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৮ সময় দর্শন
ছবি: সংগৃহীত
স্বপ্ন প্রতিদিন রিপোর্ট

বাজারে হঠাৎ তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেলের; বিশেষ করে প্রায় দোকানেই অনেক চেয়েও মিলছে না ৫ লিটারের সয়াবিন তেলের বোতল। সব দোকানির এক কথা— ‘তেল দিচ্ছে না ডিলাররা’। এই সুযোগে খোলা সয়াবিন তেলই তারা বিক্রি করছেন সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশিতে। সেই সঙ্গে সোনালি মুরগিও কিনতে হচ্ছে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে। সব মিলিয়ে নিত্যপণ্যের বাজারে গিয়ে নিদারুণ ভোগান্তিতে পড়ছে ক্রেতা সাধারণ। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ঢাকার কয়েকটি খুচরা ও পাইকারি বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। এখন সরকার নির্ধারিত এক লিটার বোতলজাত তেলের দাম ১৯৫ টাকা, খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৭৬ টাকা ও পাম তেলের মূল্য ১৬৪ টাকা। তবে বাজারে খোলা সয়াবিন ২০০ থেকে ২১০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। আর পাম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়। খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ডিলাররা তেলের সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন। এ অবস্থা মাসখানেকের বেশি সময় ধরে চললেও গত তিন-চারদিন ধরে একেবারে অর্ডার নেওয়াই বন্ধ করে দিয়েছেন। কারওয়ান বাজারের ইকরামুল নামের এক দোকানি বলেন, তেলের অর্ডার নিচ্ছে না কোম্পানি। কোনো কোনো কোম্পানি বলছে, তেল নিতে হলে সঙ্গে অন্য পণ্য নিতে হবে। আমরা বিভিন্ন পাইকারি দোকান থেকে তেল এনে বিক্রি করছি। তিনি বলেন, তেল না থাকলে ক্রেতারা অন্যান্য পণ্যও নিতে চায় না। রেগুলার ক্রেতা ফিরে যায়। বেচাবিক্রি কমে যায়। যে কারণে বেশি টাকা দিয়ে পাইকারি বাজার থেকে তেল এনে বিক্রি করছি। এ ছাড়াও গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে বাজারে বেড়ে গেছে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম। বেশিরভাগ সবজিই এখন ৮০ টাকা বা তার কাছাকাছি দামে বিক্রি হচ্ছে। শুধু আলুর কেজি ২৫ আর পেঁপে-গাজর বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে। এখন প্রতি কেজি পটোল ও ঢ্যাঁড়স ৬০ থেকে ৮০ টাকা, সিম ও সজিনা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, বরবটি, করলা ১০০ থেকে ১২০ টাকা ও কাকরোল ১২০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে কম রয়েছে কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজের দাম। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকা ও পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। অন্যদিকে, ব্রয়লার মুরগির দাম স্থিতিশীল থাকলেও ঈদের পর থেকে রেকর্ড সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে সোনালি মুরগি। তবে গত সপ্তাহের চেয়ে এই সপ্তাহে দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। প্রতি কেজি সোনালি মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি দরে। যা কদিন আগেও ৪৫০ টাকায় উঠেছিল। খামারিরা বলছেন, খামারে খামারে বার্ড ফ্লুসহ নানান রোগে ব্যাপক হারে মুরগি মরে যাচ্ছে। যে কারণে সরবরাহ কমে গেছে এবং দামও বেড়েছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে সোনালি মুরগির চাহিদাও অনেক কমে গেছে। সোনালী মুরগির সঙ্গে সঙ্গে বাজারে বেড়েছে ডিমের দাম। ফার্মের মুরগির প্রতি ডজন ডিম ১১৫ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ১১০ টাকার মধ্যে। পাড়া-মহল্লার কিছু কিছু খুচরা দোকানে ডিম ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা ডজনে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host