1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

রংপুরে নিখোঁজের তিন দিন পর আলুক্ষেত থেকে উদ্ধার ইলেকট্রিশিয়ানের মরদেহ

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৮৪ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন রিপোর্ট
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের তিন দিন পর এক শ্রমজীবী ইলেকট্রিশিয়ানের মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের নাম মনজুরুল ইসলাম (৪৮)। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের রামপুরা পীরের মাজারসংলগ্ন একটি আলুক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই আলুক্ষেতে অস্বাভাবিকভাবে নরম মাটি লক্ষ্য করেন কয়েকজন কৃষক। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তারা তারাগঞ্জ থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খনন চালিয়ে মাটির নিচে চাপা দেওয়া একটি মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয়রা জানান, এর আগের দিন বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) একই এলাকার একটি আলুক্ষেতের পাশে তামাক ক্ষেতে রক্তের দাগ এবং একটি স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে নিখোঁজ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে স্যান্ডেলটি মনজুরুল ইসলামের বলে শনাক্ত করেন। তবে সেদিন ব্যাপক খোঁজাখুঁজির পরও মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে কুর্শা ইউনিয়নের অনন্তপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশ্যে বের হন মনজুরুল ইসলাম। এরপর থেকে তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিহত মনজুরুল ইসলাম ওই গ্রামের ফরিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ইলেকট্রিশিয়ান ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে শ্রমজীবী মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাস্থলে স্থানীয়দের ভিড় জমে যায়। অনেকেই ধারণা করছেন, এটি একটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে। দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি মনজুরুল ইসলামের বলে শনাক্ত করেছেন। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিখোঁজের পর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা বাড়তে থাকায় জনমনে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারাগঞ্জের এই ঘটনাও নতুন করে স্থানীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host