কলেজ সূত্র জানায়, নতুন রান্নাঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ায় সম্প্রতি জরাজীর্ণ রান্নাঘরের চালের টিন খুলে ফেলা হয়। পরে অভিযোগ ওঠে, ওই মালামাল বিক্রি করা হয়েছে। এ ঘটনায় কলেজের শিক্ষার্থী ও কয়েকজন ছাত্রদল নেতা সরকারি মালামাল বিক্রির ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি বলে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। এ বিষয়ে হোস্টেল সুপার হাফিজুর রহমান প্রথমে দাবি করেন, ছাত্রদলের নেতারা টাকা ছাড়াই মালামাল নিয়ে গেছেন। তবে পরে তিনি জানান, লিখিত আবেদন করার পর ১০ হাজার টাকায় তাদের কাছে মালামাল দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে অব্যাহতি পাওয়া কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সাব্বির খান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমাদের কাছে লিখিত আবেদনের কপি আছে। কলেজ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে নিলাম প্রক্রিয়ায় রান্নাঘরের মালামাল নেওয়া হয়েছে।’
ইসলামপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আহাম্মদ আলী বলেন, ‘জরাজীর্ণ রান্নাঘরের মালামাল নেওয়ার জন্য দুই ছাত্রনেতা আবেদন করেছিলেন। বিষয়টি দেখভালের জন্য হোস্টেল সুপারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছিল।’






