1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলার আসামির কারাগারে মৃত্যু

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৯৬ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

আওয়ামী লীগ নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিক নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শহীদুল ইসলাম শিপু কারাগারে মারা গেছেন। গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ বন্দি শিপুকে হাসপাতালে নেওয়ার পর আজ রোববার সকাল ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জেলার আবুল হোসেন জানান, হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শহীদুল ইসলাম শিপু দীর্ঘদিন ধরে ডায়বেটিকসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। বছর সাত আগে কেরানীগঞ্জ কারাগারে তার অবস্থা জটিল হয়ে পড়ে। পরে তাকে দ্রুত বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নিয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তার বাঁ পা কেটে ফেলা হয়। ২০০৪ সালে গ্রেপ্তারের পর থেকে কখনো কেরানীগঞ্জ, কখনো কাশিমপুর কারাগারে ছিলেন তিনি। কাশিমপুর কারাগারে থাকা অবস্থায় রোববার সকালে হঠাৎ তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত কারা কর্তৃপক্ষ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে শিপুকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

শহীদুল ইসলাম শিপু গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীর গোপালপুর এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে শিপুর লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সমাবেশে গুলি করে হত্যা করা হয় আওয়ামী লীগ নেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও শ্রমিক নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টারকে। এ ঘটনায় তার ভাই মতিউর রহমান বাদী হয়ে টঙ্গী থানায় হত্যা মামলা করেন। ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল এই মামলার রায় ঘোষণা করেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। রায়ে ২২ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। ২০১৬ সালের ১৫ জুন ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন বহাল রেখে রায় দেন হাইকোর্ট। আর সাজা কমে সাতজনের। খালাস পান ১১জন। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল থাকা আসামিদের মধ্যে শহীদুল ইসলাম শিপু একজন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host