নোয়াখালী শহরের একটি মাদ্রাসায় এক আবাসিক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে ওই মাদ্রাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গতকাল ওই ছাত্রের বাবা গ্রেপ্তার শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। গ্রেপ্তার শিক্ষকের নাম হাফেজ মোহাম্মদ মারুফ (২২)। তিনি চাটখিল উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের হিরাপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আগেও আরও কয়েকজন ছাত্রকে ধর্ষণ করেছিলেন শিক্ষক হফেজ মারুফ। কিন্তু লোকলজ্জায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এ নিয়ে থানা-পুলিশে অভিযোগ দেয়নি।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ মোহাম্মদ মারুফ দীর্ঘদিন থেকে ছাত্রদের সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করে আসছিলেন। গত ২৩শে ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে মাদ্রাসার ছাত্ররা সেহরি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লে শিক্ষক হাফেজ মারুফ ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ঘুম থেকে ডেকে তুলে ধর্ষণ করেন।
শিক্ষার্থীর বাবা জানান, ঈদের ছুটিতে ছেলে বাড়িতে গেলে তিনি লক্ষ করেন সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে, ঠিকমতো খাচ্ছে না, কারও সঙ্গে কথাও বলছে না। এ বিষয়ে বারবার জানতে চাওয়া হলে একপর্যায়ে সে মাদ্রাসায় শিক্ষকের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হওয়ার ঘটনা বর্ণনা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই মামলা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
জানতে চাইলে সুধারাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শ্রী রামচন্দ্র ভট্টাচার্য প্রথম আলোকে বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে রাতেই মাদ্রাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ তাকে ওই মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।






