1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইরানে অস্ত্র পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন, দাবি মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের সপরিবারে নাটক দেখলেন তারেক রহমান ময়মনসিংহে এসএসসি পরিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: প্রকাশ্যে ঘুরছে আসামি যুবদল নেতা শাহবাগে ট্রান্সজেন্ডার ও সমকামী সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপর মৌলবাদীদের হামলা রাঙ্গুনিয়ায় রাতের আঁধারে দুই মন্দিরে তাণ্ডব: প্রতিমা ভাঙচুর, স্বর্ণালঙ্কার লুট এক দশকের হামের ভয়াবহ প্রকোপে ২৬ দিনে ১৬৬ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ১৪ হাজার পুলিশের উপস্থিতিতেই কুষ্টিয়ায় উগ্রবাদী-তৌহিদি হামলায় পীর নিহত: আস্তানায় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ-লুটপাট নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ ​ যুক্তরাষ্ট্রের সাত শহরে মুক্তি পেল ‘দম’ ক্ষতির মুখে বোরো আবাদ, সেচের ডিজেল না পেয়ে শূন্য হাতে ফিরছেন কৃষক

ভাঙ্গুড়ায় প্রচন্ড গরম উপেক্ষা করে ক্লাস করছে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা ! অস্বস্তিতে ছাত্র-শিক্ষক

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২২৫ সময় দর্শন

ভাঙ্গুড়া প্রতিনিধি : পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রচন্ড গরম উপক্ষো করে ক্লাসে পাঠ গ্রহন করছে। গত রবিবার(২৮ এপ্রিল) সকাল আটটা থেকে এসব স্কুল খোলা হয়। ক্লাস চলে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত। অনেক অভিভাবক সকালে বাচ্চাদের সঙ্গে নিয়ে আসলেও তাপদাহে খুবই  ‍দু:শ্চিন্তায় তাদের সময় কাটে। ক্লাসরুমে ফ্যান থাকলেও গরম বাতাসে ছেলে-মেয়েদের অস্বস্তি কাটেনা।

গরমে শিক্ষকরাও অস্বস্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি রয়েছে। এমন একটি স্কুল- শরৎনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রধান শিক্ষক হাবিবা খন্দকার বলেন,প্রচন্ড গরমেও ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতি খুবই ভালো। তারা সকালেই ব্যাগ নিয়ে হাজির হয় শেণি কক্ষে। এই বিদ্যালয়ে রুম সংখ্যা কম থাকায় ফাঁকা ফাঁকা করে বসানো যায়না। এছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় শিক্ষকও কম। তদুপরি গরমে বাচ্চারা ঘেমে ভিজে যায়। এতে কেউ কেউ সর্দি কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছে। অনুরুপ বার্তা দিয়েছেন মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোফাজ্জল হোসেন,দক্ষিণ পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিনসমহ অনেকে ।

 

সরেজমিন দেখা যায়,প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের কষ্ট বেশি হচ্ছে। ওদের বেশির ভাগেরই ছাতা নেই। তারপর রোদের মধ্যে হেঁটে যাতায়াত করতে হয়। প্রচন্ড তাপদাহে তাদের কোমলমতি টিসু পুড়ে যাবার উপক্রম হয়।

পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন,বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ও সরকারি সেবামুলক প্রতিষ্ঠানগুলো ঐসব বাচ্চাদের কষ্টলাঘবে বিনামুল্যে ছাতা বিতরণ করতে পারে। এছাড়া প্রতিটি বিদ্যালয়ে অন্তত: একটি কক্ষ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত থাকা প্রয়োজন। যাতে অসুস্থ শিক্ষক অথবা শিক্ষার্থীকে সঙ্গে সঙ্গে স্বস্তিমুলক সেবা দেওয়া যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host