1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রী পাচ্ছেন না নির্ভরশীল প্রায় ৩ কোটি দম্পতি: ইউনুস আমলের স্বাস্থ্যখাতে চরম অব্যবস্থাপনা

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭১ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

 অন্তর্বর্তী সরকারের (ইউনুস আমল) সময়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ খাতে ব্যাপক অবহেলা ও অব্যবস্থাপনার কারণে সারাদেশের প্রায় দুই কোটি ৮১ লাখ ৭৭ হাজার ৪০৩টি সক্ষম দম্পতি (পরিবার) জন্মনিয়ন্ত্রণ পণ্যের সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। কালের কণ্ঠসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে।

 

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের এমসিএইচ সার্ভিসেস ইউনিটের ফোকাল পারসন ডা. মনজুর আহমেদ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, “গত দুই বছরে কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ পণ্য কেনা হয়নি এবং কোনো বড় বরাদ্দও পাওয়া যায়নি।” ফলে দেশের অধিকাংশ উপজেলায় ওরাল পিল, কনডম, ইমপ্লান্ট, আইইউডি, ইনজেকশনসহ বিভিন্ন গর্ভনিরোধক সামগ্রীর মজুত প্রায় শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে।

 

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট পোর্টালে (এসসিএমপি) এসব উপকরণের স্থানে ‘লাল চিহ্ন’ দেখা যাচ্ছে, যা সংকটের তীব্রতা নির্দেশ করে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন,

এই সংকট দীর্ঘমেয়াদে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ, মাতৃমৃত্যু ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়াবে। গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কারণ তারা সরকারি বিনামূল্যের জন্মনিয়ন্ত্রণ সেবার ওপর সরাসরি নির্ভরশীল।

 

অথচ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকা। এত বিপুল অর্থ বরাদ্দের পরও জন্মনিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির মতো মৌলিক ও জনগুরুত্বপূর্ণ খাতে কেন কোনো বরাদ্দ বা ক্রয় হয়নি— এ প্রশ্ন উঠেছে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে।

 

স্বাস্থ্যখাতের সামগ্রিক অব্যবস্থাপনা নিয়ে মানবাধিকার সংগঠন ও বিশেষজ্ঞ মহলে তীব্র সমালোচনা চলছে। অনেকে মনে করেন, কেন্দ্রীয় পর্যায়ের অমনোযোগ, সমন্বয়ের অভাব এবং অগ্রাধিকারের ঘাটতিই এই সংকটের মূল কারণ।

 

ডা. মনজুর আহমেদের মতো কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক টেন্ডার প্রক্রিয়াসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেওয়ায় পরিস্থিতি এমন জটিল আকার ধারণ করেছে। ফলে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা জনগণকে প্রয়োজনীয় সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।

 

এই পরিস্থিতিতে সরকারের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর সরবরাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। অন্যথায় জনস্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচির উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host