চেক জালিয়াতি মামলায় সাজা হয় ৪ বছরের। সেই সাজা থেকে বাঁচতে ৩২ বছর ধরে পলাতক রয়েছেন কিশোরগঞ্জের খান মোহাম্মদ ইকবাল নামে এক ব্যক্তি। এমনই এক অভিযোগ মামলার বাদী আসাদুজ্জামান ফারুক নামে এক ব্যবসায়ীর। এ ঘটনা নিয়ে ভৈরবে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভৈরব পৌর শহরের চণ্ডিবের এলাকার মৃত ডা. সামসুল আলম খানের ছেলে মোহাম্মদ ইকবাল। ১৯৯০ সালের দিকে ভৈরব বাজারে ব্যবসা করতেন তিনি। সেই সুবাদে বাদী আসাদুজ্জামান ফারুককে একটি চেক প্রদান করেন। পরে চেকটি ব্যাংক থেকে ডিজনার হলে পাওনাদার ফারুক তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে একটি চেক জালিয়াতি মামলা দায়ের করেন। পরে সাক্ষ্য প্রমাণে প্রমাণিত হওয়ায় ১৯৯৩ সালে আদালত খান মোহাম্মদ ইকবালকে সাড়ে ৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়। রায় হওয়ার পর থেকে অদ্যাবধি প্রায় ৩২ বছর যাবত সে আদালতে আত্মসমর্পণ করেনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইকবালের একাধিক স্বজন জানান, ইকবাল বেঁচে আছেন। তিনি আত্মগোপনে থাকায় স্ত্রী-সন্তান ছাড়া পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে তেমন যোগাযোগ নেই।
মামলার বাদী আসাদুজ্জামান ফারুক দাবি করেন, ইকবাল রাজধানীর উত্তরায় বসবাস করছেন। আওয়ামী সরকার আমলে নেতাদের ব্যবহার করে বিমানবন্দর এলাকায় ব্যবসা বাণিজ্য করেছেন। এখনও সেখানে ব্যবসা করছেন।
ভৈরব থানার ওসি মোহাম্মদ আতাউর রহমান আকন্দ জানান, বিষয়টি তিনি জানতেন না। ২০২৪ সালে ৫ আগস্ট থানায় লুটপাট ও আগুনের ঘটনায় ইকবালের ওয়ারেন্টটি পুড়ে যায়। তাঁর সাজার সইমুড়ি নকল বাদীর কাছে আছে। ওয়ারেন্টের কপি পেলে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করবেন।