1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রয়োজনের এক-তৃতীয়াংশও নেই মজুদ: তীব্র সার সংকটে ঝুঁকির মুখে কৃষি উৎপাদন অস্কারজয়ী নির্মাতাসহ কান উৎসবে আরও যাঁদের ছবি জায়গা পেল হামের উপসর্গ নিয়ে ২৬ দিনে ১৬৬ শিশুর মৃত্যু জুলাই চেতনার ব্যর্থতায় হতাশাগ্রস্ত তরুণরা: ২৩ দিনে ১৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর গ্রেপ্তার ও আদালতে হেনস্তার ঘটনায় আসক-এর উদ্বেগ হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু রেল বহরে যুক্ত হচ্ছে ভারতীয় ২০০ ব্রডগেজ কোচ বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনলো বিসিবি  ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু যুবদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৩, আহত ১০

প্রয়োজনের এক-তৃতীয়াংশও নেই মজুদ: তীব্র সার সংকটে ঝুঁকির মুখে কৃষি উৎপাদন

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩২ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

দেশের কৃষি উৎপাদন এখন তীব্র সার সংকটের মুখোমুখি। প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহের অভাবে একের পর এক সার কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় উৎপাদন মারাত্মকভাবে কমেছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সার আমদানি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আসন্ন মৌসুমের জন্য প্রয়োজনীয় সার মজুদ সরকারের কাছে নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন শিল্প সচিব ওবায়দুর রহমান। আজ ৯ই এপ্রল, বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে শিল্প সচিব এসব কথা বলেন।

‘বৈশ্বিক জ্বালানি-সংকট: বাংলাদেশে এর প্রভাব এবং মোকাবিলায় কর্মপন্থা নির্ধারণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ।

শিল্প সচিব ওবায়দুর রহমান বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে গ্যাস ও সার আমদানিতে ঝুঁকি আছে। জ্বালানি সংকটের মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ দেওয়ার জন্য সার কারখানাগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে জগাখিচুড়ি অবস্থা তৈরি হয়েছে। এমন অবস্থায় আসন্ন মৌসুমে যে সার লাগবে তা সরকারের কাছে নেই।

তিনি আরও জানান, গ্যাস সংকটের কারণে দেশে চার লাখ টনের বেশি সারের ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে সার কারখানায় মাত্র তিন-চার মাসের গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। জুন মাস পর্যন্ত কৃষির জন্য ৬ লাখ টনের ওপরে সার মজুদ রাখার লক্ষ্য থাকলেও, বর্তমান হিসাব অনুসারে মজুদ রয়েছে মাত্র ২.১৭ লাখ টন। অর্থাৎ চার লাখ টনেরও বেশি সংকট রয়েছে।

কারখানা বন্ধ ও আমদানি অনিশ্চয়তামধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে সার আমদানি ব্যাহত হচ্ছে। সৌদি আরব, কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে ইউরিয়া সার আমদানি প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

একই সঙ্গে গ্যাসের অভাবে দেশের অধিকাংশ সার কারখানা (চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার, কর্ণফুলী ফার্টিলাইজারসহ) বন্ধ রয়েছে। শাহজালাল ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি ছাড়া অন্যান্য বড় কারখানাগুলোতে উৎপাদন বন্ধ বা সীমিত।

এই সংকটের ফলে বোরো মৌসুমসহ আসন্ন আমন ধানের উৎপাদনেও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। কৃষকরা সময়মতো সার না পেলে ফলন কমে যাবে, যা খাদ্য নিরাপত্তায় ঝুঁকি তৈরি করবে।

সরকারের প্রস্তুতিসরকার বিকল্প উৎস (চীন, রাশিয়া, মিশর ইত্যাদি) থেকে সার আমদানির চেষ্টা চালাচ্ছে এবং অতিরিক্ত ২ লাখ টন ইউরিয়া আমদানির টেন্ডার আহ্বান করেছে। তবে হরমুজ প্রণালির ঝুঁকির কারণে আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীদের ডেলিভারি অনিশ্চিত।

কৃষি ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জুন পর্যন্ত সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে, তবে জুলাই-সেপ্টেম্বর মৌসুমের জন্য পর্যাপ্ত মজুদ গড়ে তোলা চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে।

কৃষক ও কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট দীর্ঘায়িত হলে খাদ্য উৎপাদন কমে যাবে এবং সারের দাম বৃদ্ধি পাবে, যা সাধারণ কৃষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে। সরকারকে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে সারের সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host