1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী, ছাত্রদল ও পুলিশের মধ্যে ত্রিমুখি সংঘর্ষ: ওসিসহ আহত ১০ মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনের প্রবণতা সংস্কৃতির ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ: উদীচী ধোঁয়াশায় বিজিবি-বিএসএফ: গুলিবিদ্ধ সাদ্দামের লাশ ওপারেই, ফিরবে কবে? তেরখাদায় সরকারি বরাদ্দের ব্রিজ নির্মাণে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ নেত্রকোণায় দুই হিন্দু আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে আগুন ওসিসহ আহত ২০, বৈষম্যবিরোধীদের সঙ্গে পুলিশ-ছাত্রদলের সংঘর্ষ জ্বালানি খাত নিয়ে দুঃসংবাদ শোনালেন অর্থমন্ত্রী হামের উপসর্গে একদিনে ১২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৭৪ এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার, গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু

বিএনপি নেতাকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান ওয়ার্ড আ.লীগ সভাপতি ও ইউপি সদস্য শহিনুর ইসলাম

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৬ সময় দর্শন
ওয়ার্ড আ.লীগ সভাপতি ও ইউপি সদস্য শহিনুর ইসলাম
অনলাইন ডেস্ক

জামালপুর সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতা বিএনপি নেতাকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান উল্লেখ করে ফেস্টুন লাগানো ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

জানা যায়, কেন্দুয়া কালিবাড়ী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য শহিনুর ইসলাম শাহীন সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মিলনকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান উল্লেখ করে ফেস্টুন টানিয়ে প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন। ফেস্টুনের ছবি তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতেও পোস্ট করেন। বিষয়টি সামনে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কেন্দুয়া কালিবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অন্তর্গত ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি শহিনুর ইসলাম শাহীন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়ে তিনি টানা দুইবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি পদও পান। সে সময় এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আরও অভিযোগ রয়েছে, জুলাই মাসে সংঘটিত আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের অর্থ ও লোকবল দিয়ে সহযোগিতা করেছিলেন শাহীন।

তবে ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরও তিনি বহাল তবিয়তে ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এদিকে জেলার অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের অনেকেই পলাতক, মামলার আসামি কিংবা কারাগারে থাকলেও শাহিনুর ইসলাম শাহীন এলাকায় সক্রিয় রয়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কেন্দুয়া কালিবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন সাইফুল ইসলাম খান। ৫ আগস্টের পর তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান। পরে সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মিলনের সহযোগিতায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে রেজুলেশন করে তার আত্মীয় মিজানুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য শহিনুর ইসলাম শাহীন বলেন, “রুহুল আমিন মিলনের সঙ্গে আগে থেকেই আমার সম্পর্ক রয়েছে। আমরা একই ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন করবেন, তাই আমি প্রচার করেছি। ইনশাল্লাহ তাকে নির্বাচনও করিয়ে দেব। আমার বিরুদ্ধে আনা অন্য অভিযোগগুলো মিথ্যা ও বানোয়াট।”

এ বিষয়ে সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সম্ভাব্য উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী রুহুল আমিন মিলন বলেন, “তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। সে ফেস্টুন দিয়েছে কি না আমি জানি না। আমি তাকে কোনো আশ্রয় দিইনি। অন্যদের মতো সেও এলাকায় আছে।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host