স্থানীয় সংবাদদাতা
বিএনপি চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে চন্দনাইশে এলডিপি চেয়ারম্যান অলি আহমদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও ঝাড়ু মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও সহযোগী সংগঠের নেতাকর্মীরা।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার সময় চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়িয়া কলেজ গেইট চত্বরে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বিএনপি নেতা এম এ হাশেম রাজুর নেতৃত্বে এই কর্মসূচি পালিত হয়। পরে চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কে ঝাড়ু মিছিল বের করেন নেতাকর্মীরা।
মিছিল থেকে অলি আহমদকে এলাকায় ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করা হয়। এ সময় অলি আহমদের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।
বিক্ষোভে উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, কৃষকদল, শ্রমিকদল ও মহিলা দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
মিছিলটি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার জাতীয় মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্রদক্ষিণ করে। এসময় কয়েকশ নেতাকর্মী হাতে ঝাড়ু নিয়ে অলি আহমদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সমাবেশে বক্তারা অলি আহমদের কঠোর সমালোচনা করে বেশ কিছু দাবি ও অভিযোগ তুলে ধরে তারেক রহমানকে নিয়ে করা মন্তব্যকে ‘পরিকল্পিত অপপ্রচার’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
বিএনপি নেতা এম এ হাশেম রাজু বলেন, অলি আহমদ ১/১১ এর একজন কুশীলব। গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতকারী নব্য রাজাকার। তার সাম্প্রতিক বক্তব্য দেশবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সুযোগ্য সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাকে নিয়ে কটূক্তি এবং স্বাধীনতার ইতিহাসকে বিকৃত করে অলি আহমদ চন্দনাইশ–সাতকানিয়ার মানুষকে প্রতিবাদী করে তুলেছেন। তাকে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার মাটিতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।
সমাবেশে বক্তারা দাবি করেন, এ ধরনের কটূক্তি দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইকে বাধাগ্রস্ত করার একটি কৌশল। চন্দনাইশের মাটিতে কর্নেল অলিকে আর বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
বক্তারা বলেন, “তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে কেউ পার পাবে না। দেশের মানুষের হৃদয়ে তার স্থান। আমরা অবিলম্বে এই ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি।”
সমাবেশে বক্তব্য দেন চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম, পৌরসভা বিএনপি নেতা মাহমুদুর রহমান, চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপি নেতা নওশা মিয়া সওদাগর, আ ক ম মোজাম্মেল হক, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ মোরশেদুল আলম, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাছুদুর রহমান মাছুদ, যুবদল নেতা মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।






