1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী, ছাত্রদল ও পুলিশের মধ্যে ত্রিমুখি সংঘর্ষ: ওসিসহ আহত ১০ মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনের প্রবণতা সংস্কৃতির ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ: উদীচী ধোঁয়াশায় বিজিবি-বিএসএফ: গুলিবিদ্ধ সাদ্দামের লাশ ওপারেই, ফিরবে কবে? তেরখাদায় সরকারি বরাদ্দের ব্রিজ নির্মাণে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ নেত্রকোণায় দুই হিন্দু আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে আগুন ওসিসহ আহত ২০, বৈষম্যবিরোধীদের সঙ্গে পুলিশ-ছাত্রদলের সংঘর্ষ জ্বালানি খাত নিয়ে দুঃসংবাদ শোনালেন অর্থমন্ত্রী হামের উপসর্গে একদিনে ১২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৭৪ এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার, গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু

৭ মার্চের ভাষণ প্রচার: সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ইমিসহ কারাগারে ৩ শিক্ষার্থী

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৫২ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন রিপোর্ট
রাজধানীর শাহবাগ থানার সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। রবিবার (৮ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন। অপর দুই আসামি হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের সাবেক কর্মসংস্থান সম্পাদক মো. আসিফ আহমেদ সৈকত ও আব্দুল আল মামুন।

এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আশাদুল ইসলাম তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। মামলার এজাহারে লেখ হয়েছে, গতকাল শনিবার দুপুর আনুমানিক ৩টার দিকে শাহবাগ থানাধীন শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কতিপয় সদস্য সমবেত হয়ে মাইকে ৭ই মার্চের ভাষণ বাজাচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পালানোর চেষ্টাকালে স্থানীয় জনসাধারণের সহায়তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের সাবেক কর্মসংস্থান সম্পাদক মো. আসিফ আহমেদ সৈকতকে হাতেনাতে আটক করা হয়। মামলায় আরও লেখা হয়েছে, পরবর্তীতে একই দিন রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে জাতীয় জাদুঘরের ১ নং গেটের সামনে আব্দুল আল মামুন ও শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির নেতৃত্বে আরও ১০-১৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি জড়ো হন। শাহবাগ থানা মসজিদে তখন তারাবিহ নামাজ চলছিল। আসামিরা মসজিদের দিকে মুখ করে লাউড স্পিকারে উস্কানিমূলক স্লোগান দেন।

এছাড়া তারা সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম সচল করার চেষ্টা করেন। তখন আসামিরা পুলিশের কাজে বাধা প্রদান করেন এবং থানা হেফাজত থেকে আসামি আসিফ আহমেদ সৈকতকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালান।

এর আগে শাহবাগ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, আটককৃত তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। শনিবার বিকেলে আসিফ আহমেদকে আটক করা হয়েছিল। তাকে মুক্তির দাবিতে ভাষণ প্রচারের জন্য শাহবাগ থানার সামনে যান ইমি ও আল মামুন।

তাদের শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জোবায়ের ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী। আটক আসিফকে ছাড়ানোর দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন ইমি।

ফেসবুকে ঘোষণার পর শনিবার রাত ৯টার দিকে ইমিসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী শাহবাগ থানার বিপরীতে জাতীয় জাদুঘরের ফটকের সামনে একটি রিকশায় মাইক বসিয়ে ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো শুরু হয়। এ সময় মাইকে ভাষণ বাজানোর অবস্থায় তাদের ওপর হামলার অভিযোগ তোলেন ইমি।

তিনি বলেন, ‘আমাদের উপর হামলা করা হয়েছে এবং মাইকের ব্যাটারিটা ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীরা হামলা এই করেছে।’ তবে কারা এ হামলা করেছে সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন বলেও জানান তিনি।

ঘটনার পর জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাকর্মীরা শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নিয়ে ছাত্রলীগবিরোধী নানা স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তাহমিদ আল মোদ্দাসসির চৌধুরী বলেন, ‘আমরা প্রতিটি আন্দোলনকে ধারণ করি। আমরা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে। যেই সন্ত্রাসীরা ৭ই মার্চের পেছনে অবস্থান নিয়ে, মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে কিংবা মুক্তিযুদ্ধের আড়ালে অবস্থান নিয়ে লিগারদেরকে বাঁচানোর চেষ্টা করে, আমাদের অবস্থান তাদের বিরুদ্ধে।’

এর কিছুক্ষণ পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)–এর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ শাহবাগ থানার সামনে উপস্থিত হন। এ সময় যেই রিকশা থেকে মাইক বাজানো হচ্ছিল তার সামনে অবস্থান নিয়ে তারা স্লোগান দিতে থাকেন।

ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের বলেন, ‘৭ই মার্চের ভাষণটা মূল বিষয় না, বিষয় হচ্ছে ৭ই মার্চকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে, মুক্তিযুদ্ধের নাম ব্যবহার করে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার পায়তারা করা হচ্ছে।’

এক পর্যায়ে দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নিলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা আবারও ছাত্রলীগবিরোধী স্লোগান দিতে শুরু করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নেতা এবি জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের নেতৃত্বে যে রিকশা থেকে মাইক বাজানো হয়েছিল সেটিসহ শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিকে শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

শাহবাগ থানার ভেতরে ইমির সঙ্গে থাকা একজনকে ছাত্রলীগের পোস্টেড নেতা দাবি করে মারধরের ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার ব্যক্তি শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

থানার সামনে মাইক বাজানোর বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের একজন কর্মকর্তা ডিসি মাসুদ বলেন, ‘শাহবাগ থানার সামনে এসে মাইক বাজানোটা উদ্দেশ্যে প্রণোদিত।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host