অধ্যাপক কার্জন বলেন, ‘ইউনূস অ্যান্ড গংদের বিচার হওয়া উচিত কয়েকটি কারণে। একটি সংবিধান লঙ্ঘন, আরেকটি রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করায় এবং ড. ইউনূস ইউএসের সঙ্গে যেসব চুক্তি করেছে সেসব চ্যালেঞ্জ করে আরেকটি মামলা করা যেতে পারে। তিনি বলেন, ‘আরেকটি মামলা আমি করব, সেটা হলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩২ নম্বরের বাড়ি ভাঙচুর নিয়ে। সেখানে যে দুষ্প্রাপ্য ডকুমেন্ট ছিল, যেসমস্ত অ্যাভিডেন্স ছিল, সেটা দেশি বিদেশি কার ইন্ধনে বারবার ভাঙা হলো এবং অন্তর্বর্তী সরকারের কারা ভেতর থেকে এটা হতে দিলেন। সেখানে পুলিশ সেনাবাহিনী কেন গেল না। সেটা নিয়ে একটা মামলা করব। দেড় বছরে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে উল্লেখ করে কার্জন বলেন, ‘গত ১৮ মাসে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে, যা অস্বাভাবিক বিষয়।’ এ সংক্রান্ত বিবিসির একটি প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১৩২টি অধ্যাদেশই অনিশ্চয়তার মধ্যে।’






