প্রথমেই আসে খেজুরের নাম, যা প্রাকৃতিক শক্তির আধার। খেজুরে থাকা আয়রন, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে শরীরের শক্তি পুনরুদ্ধার করে। দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো প্রাকৃতিক পানীয়; যেমন ডাবের পানি বা লেবুর শরবত। এটি শরীরের পানিশূন্যতা রোধ করে কোষকে দ্রুত হাইড্রেটেড করে তোলে। তৃতীয়ত, দই-চিড়া বা কলার মতো হালকা ও সুষম খাবার, যা সহজে হজম হয় এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রেখে প্রশান্তি দেয়। এই তিনটি খাবার আপনার ইফতারের টেবিলে রাখলে একদিকে যেমন হজম প্রক্রিয়া উন্নত হবে, অন্যদিকে চব্বিশের এই নতুন বাংলাদেশে কর্মব্যস্ত থাকার জন্য প্রয়োজনীয় জীবনীশক্তিও খুঁজে পাবেন। সুস্থ থাকতে ইফতারে ভারী ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে এই পুষ্টিকর খাবারগুলো বেছে নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।





