1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনের প্রবণতা সংস্কৃতির ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ: উদীচী ধোঁয়াশায় বিজিবি-বিএসএফ: গুলিবিদ্ধ সাদ্দামের লাশ ওপারেই, ফিরবে কবে? তেরখাদায় সরকারি বরাদ্দের ব্রিজ নির্মাণে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ নেত্রকোণায় দুই হিন্দু আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে আগুন ওসিসহ আহত ২০, বৈষম্যবিরোধীদের সঙ্গে পুলিশ-ছাত্রদলের সংঘর্ষ জ্বালানি খাত নিয়ে দুঃসংবাদ শোনালেন অর্থমন্ত্রী হামের উপসর্গে একদিনে ১২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৭৪ এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার, গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার কারণ জানালেন আসিফ মাহমুদ

রোজায় গর্ভবতী নারীদের বিশেষ যত্ন

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৮৯ সময় দর্শন
ছবি: সংগৃহীত

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

রমজান মাসে গর্ভবতী নারী দ্বিধায় পড়েন – রোজা রাখা কি নিরাপদ? ধর্মীয় দিক থেকে ছাড় থাকলেও অনেকেই শারীরিকভাবে সক্ষম হলে রোজা রাখতে চান। তবে চিকিৎসকদের মতে, গর্ভাবস্থায় রোজা রাখা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। সঠিক প্রস্তুতি ছাড়া রোজা রাখলে মা ও গর্ভের শিশুর পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব পড়তে পারে।

রোজা রাখার আগে কেন ডাক্তারের পরামর্শ জরুরি?

গর্ভাবস্থার সময় শরীরের পুষ্টির চাহিদা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যেতে পারে, ডিহাইড্রেশন হতে পারে। বিশেষ করে যাদের অ্যানিমিয়া, ডায়াবেটিস,উচ্চ রক্তচাপ, কম ওজন বা উচ্চ ঝুঁকির গর্ভাবস্থা আছে, তাদের ক্ষেত্রে রোজা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই প্রথমেই চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

রোজার আগে শরীর প্রস্তুত করবেন যেভাবে

১. খাবারের সময় ধীরে ধীরে পরিবর্তন করুন

রমজানের আগে কয়েক দিন খাবারের সময় সামান্য পিছিয়ে দিন। এতে শরীর নতুন রুটিনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবে।

২. পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুন

ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা গর্ভাবস্থায় ক্লান্তি, মাথা ঘোরা এবং প্রস্রাবের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস জরুরি।

গর্ভাবস্থায় রোজা রাখতে দরকার বিশেষ প্রস্তুতি

৩. পুষ্টিকর খাবারের পরিকল্পনা করুন

সেহরিতে জটিল কার্বোহাইড্রেট (ওটস, ভাত, রুটি), প্রোটিন (ডিম, ডাল, দুধ) এবং ফল রাখুন। এগুলো দীর্ঘ সময় শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।

৪. পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন

ঘুম কম হলে শরীরের ক্লান্তি বাড়ে এবং রক্তচাপ ও হরমোনের ভারসাম্য প্রভাবিত হতে পারে।

৫. আয়রন ও ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট নিয়মিত নিন

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারিত সাপ্লিমেন্ট সঠিক সময়ে গ্রহণ করুন। এগুলো শিশুর বৃদ্ধি ও মায়ের শক্তি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।

রোজা রাখার সময় যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন

রোজা রাখার সময় যদি মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান ভাব, শিশুর নড়াচড়া কমে যাওয়া, তীব্র দুর্বলতা, প্রস্রাব কম হওয়া বা গাঢ় রঙ হওয়া, তীব্র তৃষ্ণা বা ডিহাইড্রেশনের মতো লক্ষণ দেখা দেয়, তা হলে রোজা ভেঙে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো – সুস্থ গর্ভবতী নারী চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সতর্কভাবে রোজা রাখতে পারেন। তবে শরীরের সংকেত উপেক্ষা করা উচিত নয়। কারণ, মায়ের সুস্থতাই শিশুর সুস্থ বিকাশের ভিত্তি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host