দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় নিয়োগ বানিজ্যের নামে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলার গুররা দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হা আ ব রাজ্জাক। ২৪জানুয়ারি (শনিবার) হাকিমপুর প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে সভাপতি রাজ্জাক বলেন, গত বছরের ২০ ডিসেম্বর গুমরা দাখিল মাদ্রাসায় চতুর্থ শ্রেণীর চারজন কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এই নিয়োগ কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে স্বচ্ছতার সাথে, প্রচলিত নিয়মে এবং সংশ্লিষ্ট সকলের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয়। নিয়োগ সংক্রান্ত বোর্ড মাদ্রাসার সুপার কর্তৃক আহ্বান করা হয়। আইন ও বিধি অনুযায়ী এই বোর্ড আহ্বানের এখতিয়ার সভাপতির থাকে না এবং নিয়োগ পরীক্ষার পর ফলাফল সিটে সুপারসহ বোর্ডের সকল সদস্য স্বাক্ষর প্রদান করেন। পরবর্তীতে নিয়োগ সংক্রান্ত রেজুলেশনে সুপার স্বাক্ষর করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উল্লেখ করা হয় যে, নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদান করানোর জন্য অনুষ্ঠিত মিটিংয়ের কার্যবিবরণী এবং সর্বশেষে নিয়োগপত্র প্রদানকালেও উক্ত সুপার স্বাক্ষর করেন। তিনি অভিযোগ করেন, অত্যন্ত দুঃখ ও বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করা যায় এই সকল নথিতে স্বাক্ষর প্রদান করার পরও সংশ্লিষ্ট সুপার স্বয়ং নিয়োগ বাণিজ্য সংক্রান্ত যে অভিযোগ তুলেছেন, তা যুক্তিহীন, ভিত্তিহীন এবং স্ব-বিরোধী।
তিনি দাবি করেন, যদি সত্যিই কোনো ধরনের নিয়োগ বাণিজ্য বা অনিয়ম হয়ে থাকে, তাহলে একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে তিনি কেন ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি ধাপে স্বেচ্ছায় স্বাক্ষর প্রদান করলেন? আইন, যুক্তি ও সাধারণ বিবেচনায় এই অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়। বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে তাকে এবং মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বরে তিনি মনে করেন। তার মতে নিয়োগ প্রক্রিয়া ছিল সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিয়মতান্ত্রিক ও নথিভিত্তিক। এখানে কোনো প্রকার অবৈধ লেনদেন, প্রভাব খাটানো বা অনৈতিক কার্যক্রম সংঘটিত হয়নি।
উল্লেখ্য, দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার গোবিন্দপুর গুমড়া দাখিল মাদরাসায় ৪জন কর্মচারীকে প্রায় ৬০ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে অবৈধভাবে নিয়োগের অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে।