বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ৩ দিনের সফরে আজ কুয়েত গেছেন। সফরকালে, সেনাবাহিনী প্রধান কুয়েত সরকারের সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তিন দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৫ এর উদ্বোধন করেছেন। আজ রোববার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে। যদি তাদের অপরাধের বিচার না করা হয়, তাহলে
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে আজ শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি)। কমিশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিএনপির সঙ্গে। ছয়
অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার জন্য আন্তর্জাতিক একটি কৌশল ছিল পিলখানা হত্যাকাণ্ড। এর মাধ্যমেই সংবিধানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করা হয়েছে। কারণ পিলখানা হত্যাকাণ্ডের জন্য
সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায় তাকে বহনকারী ফ্লাইট ঢাকার হযরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দেয়া সময়ে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত বিএনপি। তবে সরকারকে বিভ্রান্ত করতে নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নানামুখী বক্তব্য দিচ্ছে। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস দুবাই শহরে বিশ্ব সরকার সম্মেলনে যোগদানের পর শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর শেষ করেছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রীড়ামন্ত্রী ড. আহমেদ বেলহুল আল ফালাসি দুবাই বিমানবন্দরে
জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারী শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, আগামী নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল না হলে দেশের জনগণের সামনে গভীর সংকট অপেক্ষা করছে। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) স্বৈরাচার
আজ শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে সারাদেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় পবিত্র শবে-বরাত পালিত হবে। হিজরি সালের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটি মুসলমানরা শবে-বরাত বা সৌভাগ্যের রজনী হিসেবে পালন করে থাকেন।