1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম ১৪ বছরের বেতন ফেরতের নির্দেশ, ছাত্রী শ্লীলতাহানিতে বরখাস্ত হয়েও বাগিয়ে নেন পদ গফরগাঁওয়ে দুই শিক্ষার্থী নিয়ে চলছে প্ৰাথমিক বিদ্যালয়, শিক্ষকও মাত্র দুই জন দেশে প্রথমবার কলমসদৃশ আগ্নেয়াস্ত্র ‘পেনগান’ উদ্ধার মাদারীপুরে মিড ডে মিল প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ: টিফিন খেয়ে ৫ বিদ্যালয়ের ৩০ শিক্ষার্থী অসুস্থ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে একদল শিক্ষার্থীর বিক্ষোভ চট্টগ্রামের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার কারখানায় গ্যাস-সংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটি ফরিদপুরে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ মানিকছড়িতে সবুজ পাহাড়ের বুক চিরে চলছে উন্নয়নের নামে বিনাশী উৎসব: অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে মাটিখেকো চক্র তেরখাদায় আগাম উপজেলা নির্বাচনী হাওয়া: জামায়াত ১, বিএনপি ৪ সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠে সরব

গফরগাঁওয়ে দুই শিক্ষার্থী নিয়ে চলছে প্ৰাথমিক বিদ্যালয়, শিক্ষকও মাত্র দুই জন

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৬ সময় দর্শন

এক কক্ষবিশিষ্ট একটি টিনের চালা ঘরে মাত্র দুই জন শিক্ষার্থী দিয়ে চলছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের অনুমোদিত শিক্ষকের সংখ্যা ছয় জন থাকলেও বর্তমানে বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যাও দুই জন। আশপাশের দুই বর্গকিলোমটিার এলাকার মধ্যে এই বিদ্যালয় ছাড়া আর কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। সরজমিনে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার টাংগাব ইউনিয়নের বারইহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এমন চিত্র দেখা গেছে।

জানা গেছে, প্রায় আট বছর ধরে বিদ্যালয়টির ভবন পরিত্যক্ত। সাময়িক ক্লাস নেওয়ার জন্য দুই কক্ষবিশিষ্ট একটি টিনের চালাঘর নির্মাণ করা হলেও একটি কক্ষ গুদামঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। শিক্ষক স্বল্পতা, শ্রেণিকক্ষসহ বিদ্যালয়টিতে শিশুদের উপযোগী পড়াশোনার পরিবেশ না থাকায় দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমতে কমতে তলানিতে ঠেকেছে। বিদ্যালয়ের দুই জন শিক্ষার্থীর দুই জনই প্রথম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। প্রাক্প্রা‌থমিক, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ কিংবা পঞ্চম শ্রেণিতে আর কোনো শিক্ষার্থী নেই। দুই শিশু শিক্ষার্থীর মধ্যে নাজিফা নামের শিক্ষার্থীর মা সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, বিদ্যালয়ে এই দুই জন ব্যতীত আর কোনো শিক্ষার্থী নেই। তার মেয়ে বিদ্যালয়ে আসতে চায় না। তাকে জোর করে আনতে হয়।

২০১৮ সালে বিদ্যালয়ের মূল ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। ২০১৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বরাদ্দে মূল ভবনের পাশে একটি অফিসকক্ষ, দুইটি শ্রেণিকক্ষবিশিষ্ট জানালাবিহীন একটি টিনের চালাঘর নির্মাণ করা হয়। বিদ্যালয়ের ওয়াশব্লক নির্মাণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষ ও একটি শ্রেণিকক্ষে মাল বোঝাই করে রেখেছে। ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এই দুইটি কক্ষ ব্যবহার করতে পারছে না।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক জহিরুল ইসলাম দুই জন শিক্ষার্থী ছাড়া আর কোনো শিক্ষার্থী না থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়েছি পড়ানোর জন্য। আমাদের ক্যাচমেন্ট এরিয়ার শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি ঘুরেও শিক্ষার্থী আনতে পারি না। বিদ্যালয়ে একটি মাত্র শ্রেণিকক্ষ। টিনের চালাঘর, গরমের দিন প্রচণ্ড গরম লাগে। ফ্যানগুলো চুরি হয়ে গেছে। মাঝেমধ্যে বিদ্যালয়ের বেঞ্চগুলিও চুরি হয়ে যায়। আমাদের অফিস রুমটাও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দখলে। আমাদের বসার জায়গাও নেই। একজন শিক্ষক ক্লাস করালে অন্যজনকে পাশের বাজারের কোনো চা-স্টলে গিয়ে বসে থাকতে হয়।’

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুলতানা রাজিয়া বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে এই বিদ্যালয়ে ভবন নির্মাণের জন্য আমরা উপজেলা শিক্ষা অফিসসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করছি। কোনো সাড়া পাচ্ছি না।’ এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আবু সাঈদ জানান, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী নেই তা তিনি অবগত আছেন। সময়ের অভাবে পরিদর্শন করতে পারছি না। তবে শিক্ষকদের বলা হয়েছে শিক্ষার্থী ফিরিয়ে আনতে অন্যথায় বিদ্যালয়টি এবুলিস্ট বা বিলুপ্ত করে দেওয়া হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host