1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গফরগাঁওয়ে দুই শিক্ষার্থী নিয়ে চলছে প্ৰাথমিক বিদ্যালয়, শিক্ষকও মাত্র দুই জন দেশে প্রথমবার কলমসদৃশ আগ্নেয়াস্ত্র ‘পেনগান’ উদ্ধার মাদারীপুরে মিড ডে মিল প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ: টিফিন খেয়ে ৫ বিদ্যালয়ের ৩০ শিক্ষার্থী অসুস্থ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে একদল শিক্ষার্থীর বিক্ষোভ চট্টগ্রামের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার কারখানায় গ্যাস-সংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটি ফরিদপুরে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ মানিকছড়িতে সবুজ পাহাড়ের বুক চিরে চলছে উন্নয়নের নামে বিনাশী উৎসব: অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে মাটিখেকো চক্র তেরখাদায় আগাম উপজেলা নির্বাচনী হাওয়া: জামায়াত ১, বিএনপি ৪ সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠে সরব রাজশাহীতে নারী সাংবাদিকদের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পলাশে প্রবীণ অধিকার সুরক্ষা বিষয়ক ব্যতিক্রমী পটগান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

চট্টগ্রামের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার কারখানায় গ্যাস-সংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটি

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২০ সময় দর্শন
ফাইল ছবি: সংগৃহীত

স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

চট্টগ্রামে গ্যাস-নির্ভর সরকারি চারটি বিদ্যুৎকন্দ্র ও দুইটি সার কারখানা রয়েছে। গ্যাস-সংকট বা যান্ত্রিকত্রুটির কারণে বছরের অধিকাংশ সময় এসব কারখানায় উৎপাদন বন্ধ থাকে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে চারটি বিদ্যুৎকন্দ্রের মধ্যে দুইটি কেন্দ্র যান্ত্রিকত্রুটির কারণে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। গ্যাস না পাওয়ায় একটি বিদ্যুৎকন্দ্র চালু করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে, গ্যাস-সংকটে কাফকো ও সিইউএফএল দুইটি সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রামে গ্যাস সরবরাহ এলএনজির উপর নির্ভরশীল। জাতীয় গ্রিড থেকে চট্টগ্রামে সংকটের মধ্যেও কোনো গ্যাস সরবরাহ দেওয়া হয় না। কিন্তু বর্তমানে এলএনজি সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। মহেষখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে দৈনিক ৯৫০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। গ্যাস ট্রান্সমিশন সূত্র জানায়, চট্টগ্রামে বর্তমানে ১৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। ফলে এই গ্যাস দিয়ে চট্টগ্রামের দুইটি সার কারখানা ও তিনটি বিদ্যুৎকন্দ্রে উৎপাদন চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না। চট্টগ্রামের রাউজানে ৪২০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতার বিদ্যুৎকন্দ্রের দুইটি ইউনিট রয়েছে। এতে দৈনিক প্রায় ৮০ মিলিয়ন ঘনফুটের গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। বিদ্যুৎকন্দ্র দুইটি অনেক পুরোনো। যান্ত্রিকত্রুটি ও গ্যাস-সংকটে বছরের প্রায় সময় উৎপাদন বন্ধ থাকে। বিদ্যুৎকন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিট দীর্ঘ দুই বছর ধরে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। একটি মেরামতে প্রচুর টাকার প্রয়োজন। কেন্দ্রটি অধিক পুরোনো হওয়ায় মেরামত করে সফলতা নিয়ে সংশয় রয়েছে। আর ২ নম্বর ইউনিটটি গ্যাস-সংকটে উৎপাদন চালু রাখা যাচ্ছে না। বিদ্যুৎকন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান বলেন, ‘১ নম্বর ইউনিট মেরামত করে চালু করতে প্রচুর টাকা খরচ হবে। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। ২ নম্বর ইউনিটটি আমরা গ্যাস পাওয়া মাত্রই উৎপাদনে যেতে পারব। কিন্তু গ্যাস সরবরাহ পাচ্ছি না।’ শিকলবাহা এলাকায় সরকারি গ্যাস-নির্ভর দুইটি বিদ্যুৎকন্দ্র রয়েছে। তার মধ্যে ২২৫ মেগাওয়াট সক্ষমতার কেন্দ্রটি চালু রয়েছে। কিন্তু ১৫০ মেগাওয়াটের অপর ইউনিটটি গত প্রায় তিন বছর ধরে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। জেনারেটর সমস্যায় এটির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, অন্যান্য সমস্যা থাকলেও আপাতত জেনারেটর সমস্যার সমাধান হলে উৎপাদন চালু করা যাবে। জেনারেটর স্থাপনে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে বলে জানান তিনি। এদিকে কর্ণফুলী ইউরিয়া সার কারখানা ও চিটাগং ইউরিয়া সার কারখানায় গ্যাস-সংকটে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এই দুটি কারখানায় দৈনিক প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানির এক কর্মকর্তা জানান, এই দুটি সার কারখানায় সরকারি সিদ্ধান্তে আপাতত গ্যাস সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host