অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক চলছে। এসব অধ্যাদেশের কয়টি জনস্বার্থে আর কয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে বিশেষ সংসদীয় কমিটি।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে গোপন ও প্রকাশ্য চুক্তি নিয়েও চলছে চাপা উত্তেজনা এবং বিতর্ক।
এসব বিতর্কে যখন ১৮ মাসের অন্তর্বর্তী সরকারের ইমেজ তলানিতে ঠিক তখনই ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় বিতর্ক উসকে দিলেন ড. ইউনূসের ঘনিষ্ঠ সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে সাবেক এই ছাত্র উপদেষ্টা শব্দবোমা নিক্ষেপ করেন, যে বোমায় ইউনূস সরকারের শেষ ইমেজটুকুও খসে পড়েছে।
আসিফ মাহমুদের এ বক্তব্যের পর সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে একটি দৈনিকের কাছে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আসিফ মাহমুদ তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন। (যে দৈনিকটিও ডিপ স্টেট নিয়ন্ত্রিত)। তিনি জানান, ‘ডিপ স্টেটে বৈদেশিকসহ অনেকগুলো পক্ষ ছিল। তাই সুনির্দিষ্ট করে কারও নাম আমি উল্লেখ করতে চাই না।’ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম তিন-চার-পাঁচ মাসে বিভিন্ন আলোচনায় ডিপ স্টেটের দিক থেকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল যে, তাদের কিছু স্বার্থ রক্ষা করলে তারা অন্তর্বর্তী সরকারকে দীর্ঘদিন রাখতে আগ্রহী। দেনদরবারের অংশ হিসেবে আমাদের অ্যাপ্রোচ করা হয়েছিল, হয়তো অন্য উপদেষ্টাদের সঙ্গেও তারা কথা বলেছিল।’ তবে এই ডিপ স্টেট কারা, সেটা আসিফ মাহমুদ স্পষ্ট করে বলতে রাজি হননি। আসিফ মাহমুদ একা নন, এর আগে এনসিপির আহ্বায়ক এবং সাবেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামও ডিপ স্টেট প্রসঙ্গ এনেছিলেন। গত ১০ মার্চ রাজশাহীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, ‘শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত ছিল ডিপ স্টেট।’ তিনিও ডিপ স্টেট কারা, সেটা স্পষ্ট করে বলেননি। এ দুই ছাত্র উপদেষ্টার বক্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ডিপ স্টেটের একটি গভীর সম্পর্ক ছিল। বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মধ্যে গভীর যোগাযোগ হতো। এ প্রসঙ্গে বলে নেওয়া দরকার যে, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ছাত্র উপদেষ্টাদের আলাদা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ছাত্রদের উপদেষ্টা পরিষদে রাখার সিদ্ধান্ত ছিল ড. ইউনূসের একার। গত দেড় বছরে বিভিন্ন সংকটে ড. ইউনূস ছাত্র উপদেষ্টাদের সঙ্গে পরামর্শ করতেন। গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় তিনি সব সময় বিএনপি-জামায়াতের পাশাপাশি সদ্য ভূমিষ্ঠ দল এনসিপিকেও ডাকতেন। তাই অন্তর্বর্তী সরকারের হাঁড়ির খবর এই দুই সাবেক ছাত্র উপদেষ্টা ভালো করেই জানেন। এ দুজনই যখন ডিপ স্টেটের বিষয়টি উত্থাপন করেছেন তখন তার রাজনৈতিক তাৎপর্য উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। ডিপ স্টেট বলতে সাধারণভাবে বোঝানো হয় রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক কাঠামোর বাইরে থাকা এমন প্রভাবশালী শক্তিগুলোকে, যারা নীতিনির্ধারণ, ক্ষমতার ভারসাম্য কিংবা রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব ফেলতে সক্ষম। এটি কোনো সংবিধানস্বীকৃত বা দৃশ্যমান প্রতিষ্ঠান নয়; বরং একটি বিশ্লেষণী ধারণা, যা রাজনৈতিক আলোচনায় ব্যবহৃত হয় রাষ্ট্রের দৃশ্যমান ক্ষমতার আড়ালের শক্তিগুলোকে ব্যাখ্যা করতে।
‘ডিপ স্টেট’ শব্দটির উৎপত্তি আধুনিক অর্থে ২০শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে তুরস্কে। সেখানে ‘ডেরিন ডেভলেট’ বা ‘গভীর রাষ্ট্র’ ধারণাটি ব্যবহৃত হতো এমন এক গোপন নেটওয়ার্ক বোঝাতে, যেখানে সামরিক বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, ব্যুরোক্রেসি এলিট এবং কখনো কখনো আন্ডারওয়ার্ল্ডের অংশ যুক্ত ছিল। অভিযোগ ছিল, নির্বাচিত সরকারের বাইরে থেকেও এই নেটওয়ার্ক রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখত, বিশেষ করে নিরাপত্তা ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ক্ষেত্রে।
পরবর্তীতে ধারণাটি বৈশ্বিক আলোচনায় ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে এটি নতুন মাত্রা পায়। সেখানে ‘ডিপ স্টেট’ বলতে কখনো বোঝানো হয় স্থায়ী ব্যুরোক্রেসি, গোয়েন্দা সংস্থা, সামরিক-শিল্প জোট ও প্রভাবশালী নীতিনির্ধারক গোষ্ঠী-যারা নির্বাচিত সরকারের বাইরে থেকেও ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্রীয় নীতিতে প্রভাব বিস্তার করে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে এ শব্দটি অনেক সময় রাজনৈতিক বিতর্কের অংশ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন পক্ষ নিজেদের অবস্থান জোরালো করতে ‘ডিপ স্টেট’ ধারণাকে ব্যবহার করে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ডিপ স্টেট প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন। তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণ করেই ডিপ স্টেট ভেঙে দেওয়ার উদ্যোগ নেন। প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়েই প্রায় অর্ধশত নির্বাহী আদেশ জারি করেন ট্রাম্প। এর মধ্য দিয়ে তিনি ক্ষমতার বলিষ্ঠ প্রয়োগে দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যাতে অভিবাসন, পরিবেশ ও বৈচিত্র্য বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যমান নীতিগুলো বদলে দেওয়ার অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়। ট্রাম্পের একের পর এক নির্বাহী আদেশ জারির লক্ষ্য ছিল বিদায়ি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পথ থেকে দেশকে ফিরিয়ে আনা। নির্বাচনি প্রচারের সময় ট্রাম্প ও তাঁর সহকর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রের ‘ডিপ স্টেট’ বলে যে ব্যবস্থাকে বুঝিয়েছেন, সেটা ভেঙে দেওয়ার প্রচেষ্টা স্পষ্ট হয়েছিল ট্রাম্পের প্রথম পদক্ষেপে। এর ধারাবাহিকতায় ট্রাম্প বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে ইউএসএইডের সহায়তায় পরিচালিত কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। তবে পরবর্তীতে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, বাংলাদেশে ২০২৪-এর ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনে ডিপ স্টেটের কোনো ভূমিকা ছিল না।
ট্রাম্প যাই বলুন না কেন, ইউনূস সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর বাংলাদেশের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃত্ব বেড়ে যায়। রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা ও আইএমএফের মতো ডিপ স্টেট সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা ও প্রভাব বেড়েছে। তাই ইউনূস সরকারের ওপর যে ডিপ স্টেটের কর্তৃত্ব ও প্রভাব ছিল তা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
তবে আসিফ মাহমুদের বক্তব্য আরও গভীর বিশ্লেষণের দাবি রাখে। তিনি দাবি করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম তিন-চার মাসের মধ্যে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার আলোচনা হয়েছিল। তখনই সরকার এ প্রস্তাব নাকচ করে দেয়। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি বলেও আসিফ মাহমুদ দাবি করেন। কিন্তু তার এ দাবির সঙ্গে বাস্তবতার মিল খুঁজে পাওয়া যায় না। ইউনূস সরকারের দেড় বছরের শাসনকাল পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, প্রথম ১০ মাস অন্তর্বর্তী সরকার ছিল নির্বাচনবিমুখ। নির্বাচনের কথা শুনলে অনেক উপদেষ্টা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠতেন। সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছিল, আগে সংস্কার, তারপর নির্বাচন। প্রধান উপদেষ্টা নিজেই দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার অভিলাষ প্রকাশ করেছিলেন পরোক্ষভাবে। তিনি বলেছিলেন, জনগণ চায় আমরা আরও ৫০ বছর ক্ষমতায় থাকি। তাঁর কথার সঙ্গে তাল মিলিয়ে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাও দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিলেন। বিতর্কিত এবং বাচাল উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেছিলেন, শুধু নির্বাচন দেওয়ার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়নি। রাজনীতিবিদদের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য এত তাড়াহুড়ো কেন? আরেক উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সংস্কারের আগে নির্বাচন হলে দেশের মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হবে না। অর্থাৎ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম ১০ মাসের কার্যক্রম ছিল নির্বাচনের বিরুদ্ধে। অন্তর্বর্তী সরকারের নির্বাচন নিয়ে এই অনীহার কঠোর সমালোচনা করে বিএনপি। নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করার ঘোষণা দেয় দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় এ দলটি। এরকম একটি পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার আকাক্সক্ষা থেকে সরে আসে অন্তর্বর্তী সরকার। গত বছরের ১৩ জুন প্রধান উপদেষ্টা লন্ডনে বিএনপি চেয়ারম্যানের (তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) সঙ্গে বৈঠক করেন। এর পরই সরকারের একাংশ নির্বাচনমুখী হতে শুরু করে। সরকারের এক বছর পূর্তিতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ড. ইউনূস প্রথম ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের কার্যকাল গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিপুল জনসমর্থন নিয়ে সরকার গঠনের পর ক্রমাগত তাদের জনপ্রিয়তা কমতে থাকে। মব সন্ত্রাসের লাগামহীন বিস্তার, সীমাহীন চাঁদাবাজি, ভুল নীতির কারণে তীব্র অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়। জনজীবন যখন বিপর্যস্ত তখন অন্তর্বর্তী সরকার ছিল নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত। বেকারত্ব এবং দারিদ্র্য বাড়তে থাকে। মুদ্রাস্ফীতির কারণে জিনিসপত্রের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যায়। কিন্তু সরকার ছিল নির্বিকার। এরকম পরিস্থিতিতে সমাজের সব স্তরের মানুষ একটি নির্বাচিত সরকারের পক্ষে অবস্থান নেয়। দেশের সার্বিক অবস্থা এমন হয়েছিল যে, সরকারের সামনে নির্বাচন ছাড়া আর কোনো সম্মানজনক প্রস্থান পথ খোলা ছিল না। কিন্তু তারপরও সরকারের ভিতরে একটি অংশ শেষ পর্যন্ত নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করেছিল বলে এখন অনেক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে এবং নির্বাচন অনিশ্চিত করতে খোদ সরকারের ভিতরেই সক্রিয় ছিল একটি শক্তিশালী চক্র। জানা গেছে, তিন উপদেষ্টা- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, আদিলুর রহমান খান এবং ফাওজুল কবির খান নির্বাচন বিলম্বিত করার নানামুখী কৌশলে লিপ্ত ছিলেন। তাদের প্রধান হাতিয়ার ছিল ‘মব সন্ত্রাস’ বা গণ-উন্মাদনাকে উসকে দেওয়া বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একটি প্রভাবশালী দৈনিকে এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পরও কেউ তার প্রতিবাদ করেনি। তাই ডিপ স্টেটের প্রস্তাব অন্তর্বর্তী সরকার নাকচ করে দিয়েছিল বলে আসিফ মাহমুদ যে দাবি করেছেন, তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায় না।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম এক বছরের কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দেশের স্বার্থের চেয়ে তারা ডিপ স্টেটের এজেন্ডা বাস্তবায়নের দিকে বেশি মনোযোগী ছিলেন।
১) আরাকান আর্মির জন্য মানবিক করিডর দেওয়ার তোড়জোড়।
২) সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা।
৩) চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেওয়ার জন্য তড়িঘড়ি।
৪) সাধারণ আমানতকারীদের স্বার্থ বিবেচনা না করে আইএমএফের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যাংকিং খাতের সংস্কারের নামে সংকট সৃষ্টি।
৫) মামলা, হয়রানির মাধ্যমে বেসরকারি খাতকে নীরবে হত্যার নীলনকশা বাস্তবায়ন।
৬) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপন চুক্তি।
এসবই ডিপ স্টেটের প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের আনুগত্যের প্রমাণ। তাই আসিফ মাহমুদের এ বক্তব্যের সূত্র ধরে আমাদের সত্য খুঁজে বের করতে হবে।
দুর্নীতিবাজ উপদেষ্টারা কোথায় অবৈধ অর্থ পাচার করেছেন তা অনুসন্ধান করলে ডিপ স্টেটের সংশ্লিষ্টতার তথ্য বেরিয়ে আসবে। কারা ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং করতে চেয়েছিল, তাদের তদন্তের মুখোমুখি দাঁড় করালেই ডিপ স্টেট রহস্যের জট খুলবে।
কেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০ বছর ক্ষমতায় থাকার আগ্রহ দেখিয়েছিলেন সে ব্যাপারে গভীর গবেষণা করলেই বোঝা যাবে, ডিপ স্টেটের এজেন্ডা কী ছিল এবং এখনো আছে কি না। দেশের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য সত্য খুঁজে বের করা জরুরি।