1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী, ছাত্রদল ও পুলিশের মধ্যে ত্রিমুখি সংঘর্ষ: ওসিসহ আহত ১০ মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনের প্রবণতা সংস্কৃতির ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপ: উদীচী ধোঁয়াশায় বিজিবি-বিএসএফ: গুলিবিদ্ধ সাদ্দামের লাশ ওপারেই, ফিরবে কবে? তেরখাদায় সরকারি বরাদ্দের ব্রিজ নির্মাণে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ নেত্রকোণায় দুই হিন্দু আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে আগুন ওসিসহ আহত ২০, বৈষম্যবিরোধীদের সঙ্গে পুলিশ-ছাত্রদলের সংঘর্ষ জ্বালানি খাত নিয়ে দুঃসংবাদ শোনালেন অর্থমন্ত্রী হামের উপসর্গে একদিনে ১২ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৭৪ এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার, গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু

ড. ইউনূসের চরম অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনায় খাদের কিনারায় দেশের স্বাস্থ্য খাত

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৮ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন রিপোর্ট
সদ্য বিদায়ী ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের চরম অদক্ষতা ও অব্যবস্থাপনায় দেশের স্বাস্থ্য খাত এখন খাদের কিনারায়। বিশেষ করে সারা দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে জলাতঙ্ক (র‍্যাবিস) এবং সাপে কাটার প্রতিষেধক (অ্যান্টিভেনম) ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। জরুরি এই ওষুধগুলোর অভাবে সাধারণ মানুষের জীবন এখন চরম ঝুঁকির মুখে, যা নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার তথ্য মতে , প্রতিদিন কুকুরের কামড় বা সাপে কাটা রোগী হাসপাতালে এলেও মিলছে না প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে অথবা চড়া মূল্যে বাইরে থেকে ওষুধ কেনার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষের সামর্থ্যের বাইরে হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য ও মাঠ পর্যায়ের চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, স্বাস্থ্য খাতে গত কয়েক মাসের স্থবিরতা জনজীবনকে বিপর্যস্ত করেছে|

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৪ লাখ মানুষ সাপে কাটার শিকার হন। এর মধ্যে বছরে প্রায় ৭,৫০০ থেকে ৮,০০০ জন মারা যান। অ্যান্টিভেনম সংকটের কারণে এই মৃত্যুহার সাম্প্রতিক সময়ে আরও বেড়েছে।

দেশের অধিকাংশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে অ্যান্টিভেনমের কোনো মজুদ নেই। ঠাকুরগাঁও, বরিশাল ও গাইবান্ধার মতো জেলাগুলোতে সাপে কামড়ানো রোগীদের প্রতিষেধক না পেয়ে শহরমুখী হতে হচ্ছে, যা অনেকের ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

ঢাকার মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে প্রতিদিন ৫০০-এর বেশি রোগী এলেও গত জুন মাস থেকে সেখানে ভ্যাকসিনের তীব্র সংকট চলছে। জেলা পর্যায়ে ৫,০০০ ডোজ চাহিদার বিপরীতে মাত্র ২,০০০ ডোজ সরবরাহ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ঔষধাগার (CMSD) থেকে ঔষধ বিতরণে দীর্ঘসূত্রতা এবং মাঠ পর্যায়ে নজরদারি না থাকায় অনেক জীবন রক্ষাকারী ওষুধের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ফলে ৬৬% রোগী নিরুপায় হয়ে ওঝা বা কবিরাজের শরণাপন্ন হচ্ছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউনূস সরকারের মেয়াদে স্বাস্থ্য খাতে প্রয়োজনীয় সংস্কারের চেয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক রদবদল নিয়ে ব্যস্ততা বেশি থাকায় মাঠ পর্যায়ের জনস্বাস্থ্য সেবা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ওঠা ৯ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের সরাসরি প্রভাব পড়েছে এই জীবন রক্ষাকারী ওষুধের সরবরাহে।

ভুক্তভোগী রোগীর স্বজনরা জানান, সরকার পরিবর্তনের পর আশা করেছিলাম চিকিৎসা সেবা উন্নত হবে। কিন্তু এখন হাসপাতালে জীবন রক্ষাকারী কোনো ইনজেকশন পাওয়া যাচ্ছে না। এই অদক্ষতার দায় কে নেবে?

বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগের মেয়াদের অব্যবস্থাপনা কাটিয়ে উঠতে জরুরি ভিত্তিতে ওষুধ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে এই মুহূর্তে দেশব্যাপী যে ভ্যাকসিনের হাহাকার তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলা করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্বাস্থ্য খাতের এই ‘বিপজ্জনক উত্তরাধিকার’ বর্তমান সরকারকে দীর্ঘ সময় ভোগাতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host