স্বপ্ন প্রতিদিন রিপোর্ট
পটুয়াখালীর বাউফলে এক মাদরাসার শিক্ষককে পিটিয়ে আহতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহত শিক্ষকের নাম মো. ইব্রাহিম খলিল (৫৮)।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) উপজেলার দাসপাড়া কাঠেরপুল এলাকায় জুমার নামাজের পরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা দুই দফায় হামলা চালিয়ে তাকে আহত করে বলে অভিযোগ ইব্রাহিম খলিলের।
আহত ইব্রাহিম খলিল উপজেলার পূর্ব দাসপাড়া নেছারিয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষক। দাসপাড়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি।
আহত ইব্রাহিম খলিল ও তার পরিবারের লোকজন জানায়, জুমা নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে কাঠেরপুলের পশ্চিমপ্রান্ত এলাকায় স্থানীয় দাসপাড়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মামুন মেম্বরের ছোট ভাই হান্নান লোহার রড দিয়ে এলাপাথারি তাকে আঘাত করে। এরপর তার হাত থেকে বাঁচতে কাঠেরপুলের বিপরীত প্রান্তের দিকে (পূর্বদিকে) ছুটে গেলে মামুন মেম্বর, মনির মেম্বর, সাইদুল ও তাদের সঙ্গে থাকা বিএনপির ২০-৩০ জন মিলে পুনরায় তাকে এলোপাথারি আঘাত করে। গত নির্বাচনে গ্রামে গ্রামে ছুটে জামায়াতের পক্ষে ভোট চাওয়া তার অপরাধ এসময় উল্লেখ করে ওই সব সন্ত্রাসী লোকজন জামায়াত, রাজাকারকে দাসপাড়া ইউনিয়নেই রাখা হবে না বলে হুমকী দেয়।দ্বিতীয় দফায় আঘাতের পর মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয় দুই তিন জন মিলে তাকে উদ্ধার করার পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
একই দিন জুমার নামাজের শেষে অপর এক পৃথক ঘটনায় ওই মামুন মেম্বর, সাইফূল ইসলাম ফিরোজসহ ওইসব লোকজন দাপড়া ইউনিয়নের জামায়াতের একটি ওয়ার্ডের সেক্রেটারি জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য নাজিম আকন নামে অপর একজনকে (৩৮) একই ইউনিয়নের দাসপাড়া বড় চৌমোহনী এলাকায় টেনেহিচরে মারধর করে ও মুখমন্ডলে ডিম মেরে আহত করে। এ ব্যপারে অভিযুক্ত কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে বিকালে নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় পৌর সদরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাউফল উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। এই দুই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে বলে জানিয়েছেন জামায়োতের নেতা ও আহতরা।
বাউফল থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, আজই মাগরিবের নামাজ শেষে এই থানায় যোগদান করেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। আহতদের বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।






