1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন।  মনোহরদীতে, চরগোহালবাড়িয়া খালাশী বাড়ি খেয়াঘাটে সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন। ১০ স্থায়ী কমিটির দায়িত্ব পেলেন যেসব সংসদ সদস্য বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নিয়োগের বিষয়ে মুখ খুলল মালয়েশিয়া নির্যাতনের সেই স্মৃতি এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: প্রেস সচিব জ্বালানি সংকট নিরসনে এলএনজি সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ একসঙ্গে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের বজ্রপাতে পুরোনো অভিমান ভুলে নতুন করে একসঙ্গে ফিরছেন রাজ-মিমি, শুরু জল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে সহজ হোক ভিসা বন্ড ব্যবস্থা

কুশিয়ারা নদীর বালু লুট, নীরব প্রশাসন

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬
  • ৯২ সময় দর্শন

স্বপ্ন প্রতিদিন রিপোর্ট

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার আঙ্গারজুর এলাকায় কুশিয়ারা নদীর চর থেকে বালু লুট করছে স্থানীয় বালু ব্যবসায়ীদের একটি চক্র। প্রায় এক মাস ধরে বালু লুট অব্যাহত থাকলেও অদৃশ্য কারণে প্রশাসনের দায়িত্বশীলরা নীরব থাকায় ক্ষোভ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, সিলেট জেলার চর ইজারা তালিকায় কুশিয়ারা নদীর আঙ্গারজুর এলাকার ৫ দশমিক ৮ একর আয়তনের চরটির নাম রয়েছে। তবে তপশিলভুক্ত দাগ (দাগ নং ১১৮) জটিলতার কারণে উপজেলা প্রশাসনের ইজারা তালিকায় রাখা হয়নি। ফলে সরকার কোটি টাকা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে। নদীর চর থেকে বালু লুট চক্রের সঙ্গে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ এলাকার প্রভাবশালী লোকজন জড়িত। এ কারণে অবাধে বালু লুট হলেও ভয়ে মুখ খুলছেন না স্থানীয়রা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কুশিয়ারা নদীর আঙ্গারজুর এলাকার চরটি ইজারা প্রদান করতে কুড়ারবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তুতিউর রহমান তুতা গত ১১ ফেব্রুয়ারি সিলেটের জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন। তিনি আবেদনে উল্লেখ করেন, তপশিলভুক্ত জটিলতার কারণে বিগত ৪-৫ বছর থেকে বালুমহালটি ইজারা দেওয়া হয়নি। তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক গত ১৩ ফেব্রুয়ারি হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ পরিচালনার জন্য নির্দেশনা দেন।

কুড়ারবাজার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস‍্য আনোয়ার হোসেন কিরণ বলেন, সংশ্লিষ্টদের অনুমান এ চরে দেড় থেকে দুই কোটি ঘনফুট বালু রয়েছে। চরটি প্রশাসন থেকে গত কয়েক বছর ধরে ইজারা দেওয়া হচ্ছে না। সম্প্রতি একটি চক্র এখান থেকে বালু লুট করছে। ইতোমধ্যে চরের ৮ থেকে ১০ লাখ ঘনফুট বালু লুট হয়েছে বলে ধারণা করছেন তিনি। তবে কে বা কারা বালু লুট চক্রে জড়িত তা তিনি জানেন না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, গত রমজান মাস থেকে রাতের বেলা চর থেকে বালু কেটে নেওয়া হচ্ছে। রমজানে ভোর রাত ৪টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত এবং ঈদের দিন থেকে রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টায় বালু লুটপাট চলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বালু লুটপাটের সঙ্গে কুড়ারবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তুতিউর রহমান তুতা ও তাঁর ছেলে অপু আহমদ এবং স্থানীয় বাসিন্দা রুয়েল আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম, শামীম আহমদ, সাকী আহমদসহ আরও কয়েকজন জড়িত। চক্রটি প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে নদীর চর থেকে অবাধে বালু লুট করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী আঙ্গারজুরের গ্রামীণ সড়ক থেকে খানিকটা দূরে  চরটির অবস্থান। বালুখেকোরা চরের প্রায় ১০ থেকে ১৫ ফুট গভীর খাদ করে বালু লুট করেছে।

কুড়ারবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তুতিউর রহমান তুতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, নদীর তীরবর্তী অংশ থেকে স্থানীয় একটি ইটভাটায় মাটি কেটে নেওয়া হয়েছে। যেখান থেকে মাটি কাটা হয়েছে সে জায়গাটি ইটভাটার মালিকের। তিনি বলেন, চরের বালু লুটের বিষয়টি তাঁর জানা নেই।

বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাবিবা মজুমদার বলেন, গ্রাম পুলিশকে ঘটনাস্থল পাহারার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চরের বালু লুটে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host