1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন।  মনোহরদীতে, চরগোহালবাড়িয়া খালাশী বাড়ি খেয়াঘাটে সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন। ১০ স্থায়ী কমিটির দায়িত্ব পেলেন যেসব সংসদ সদস্য বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নিয়োগের বিষয়ে মুখ খুলল মালয়েশিয়া নির্যাতনের সেই স্মৃতি এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: প্রেস সচিব জ্বালানি সংকট নিরসনে এলএনজি সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ একসঙ্গে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের বজ্রপাতে পুরোনো অভিমান ভুলে নতুন করে একসঙ্গে ফিরছেন রাজ-মিমি, শুরু জল্পনা যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে সহজ হোক ভিসা বন্ড ব্যবস্থা

তোফাজ্জল হত্যা মামলা: প্রধান দুই অভিযুক্ত বাকের ও আব্দুল কাদেরকে বাদ দিয়েই মামলার চার্জশিট

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৮ সময় দর্শন

অনলাইন ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হল–এ চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তোফাজ্জল হোসেন–কে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের দেওয়া সম্পূরক অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত।

তবে আলোচিত এই মামলায় প্রধান দুই অভিযুক্ত হিসেবে আলোচনায় থাকা বাকের ও আব্দুল কাদেরকে অভিযোগপত্রে রাখা হয়নি বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা–র আদালত অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করেন।

একই সঙ্গে পলাতক থাকা ২২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. হান্নানুল ইসলাম, যিনি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)–এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, গত ২০২৫ সালের ১৮ই ডিসেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই সম্পূরক অভিযোগপত্র জমা দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার চার্জশিটে মোট ২৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন এবং দুজন জামিনে রয়েছেন। বাকিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন মো. জালাল মিয়া, সুমন মিয়া, মো. মোত্তাকিন সাকিন শাহ এবং আল হোসেন সাজ্জাদ।

অন্যদিকে মো. আহসান উল্লাহ বিপুল শেখ ও ওয়াজিবুল আলম বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট ১০ সেকেন্ডে তোফাজ্জল হলের মূল ফটক দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর হলের মাঠে বসলে কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে চোর সন্দেহে মারধর শুরু করেন। পরে তাকে হলের মূল ভবনের দিকে নিয়ে গিয়ে দীর্ঘ সময় জেরা ও নির্যাতন করা হয়।

একপর্যায়ে কিছু শিক্ষার্থী বুঝতে পারেন, মোবাইল চুরির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এরপর তাকে হলের ক্যান্টিনে নিয়ে খাবার দেওয়া হয়। কিন্তু খাওয়া শেষে আবার তাকে মারধর করা হয়।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও প্রথমে ব্যর্থ হন। পরে রাত ১০টা ৫২ মিনিটের দিকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৯শে সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ।

পরে নিহতের ফুফাতো বোন মোসাম্মৎ আসমা আক্তার একই ঘটনায় আরও একটি মামলার আবেদন করলে আদালত তা আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন।

আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সম্পূরক চার্জশিটে প্রধান দুই অভিযুক্ত বাকের ও আব্দুল কাদেরের নাম না থাকায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, মামলার তদন্তে কী কারণে তাদের বাদ দেওয়া হলো।

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host