1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকব: জামায়াত আমির জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশিদের ভিসা আবেদনে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের কারাবন্দিদের জন্য ভিডিওকলের সুবিধা, স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ বাল্যবিবাহ নির্মূলে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক দিবস ঘোষণা করল জাতিসংঘ গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৫৫ সদস্যের মরদেহ বিকল্প জ্বালানি উৎসের সন্ধানে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নতুন লুকে সিয়াম, ‘আন্ধার’ সিনেমার টিজার প্রকাশের পর শুরু আলোচনা বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত,তেরখাদা নতুন বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় মনোহরদীতে,অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন। 

পূর্ণাঙ্গ আর্থিক হিসাব নেই, ৫৬ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
  • ১১১ সময় দর্শন
ছবি: সংগৃহীত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সাদা কাগজে তৈরি হয় আয়-ব্যয়ের বিবরণী। যেখানে নেই কোনো পূর্ণাঙ্গ আর্থিক অবস্থার চিত্র। এমন অবস্থা দেশের ৫৬টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তবে বৈজ্ঞানিক হিসাব পদ্ধতি অনুসরণ করতে সব প্রতিষ্ঠানের জন্য একই সফটওয়্যার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন।

প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পেরিয়েছে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। অথচ প্রতিষ্ঠানটির সম্পদ, আয়-ব্যয় কিংবা দায়-দেনার পরিমাণ কত, তা জানার জন্য নেই কোনো আর্থিক প্রতিবেদন।

একই পরিস্থিতি চট্টগ্রাম, রাজশাহী, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের ৫৬টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের। যারা তাদের বার্ষিক আর্থিক হিসাব বিবরণী তৈরি করে না।

৫৬টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব ও নিরীক্ষা ব্যবস্থায় আইন পর্যালোচনা করে এর কোনো সামঞ্জস্য পায়নি ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি)। এতে দেখা যায়, শুধু ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে বহিঃনিরীক্ষকের মাধ্যমে বার্ষিক আর্থিক বিবরণী নিরীক্ষার কথা বলা হয়েছে। ৪৬টির সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা খুঁজে পায়নি এফআরসি।

ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) প্রেসিডেন্ট এন কে এ মবিন বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ফাইন্যান্সিয়াল স্টেটমেন্ট প্রপারলি প্রিপেয়ার হচ্ছে না এবং প্রচুর তথ্য মিসিং থাকছে। এ ছাড়াও একটি বিষয় হলো এখানে অডিট হচ্ছে না। এতে হিসাব কোনো ট্রান্সপারেন্সি পাচ্ছে না। তারা পাবলিক ফান্ড ব্যয় করছে কিন্তু জবাবদিহিতা থাকছে না।’

হিসাব ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানগুলোর এমন অবহেলার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) দায় রয়েছে বলেও মনে করেন এ  হিসাববিদ।

এন কে এ মবিন বলেন, ‘ইউজিসির কাছে এ সংক্রান্ত রিপোর্টগুলো যাওয়া উচিত ছিল। এগুলো না পেয়ে তারা কখনো এ ব্যাপারটিকে হাইলাইট করেনি।’

আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং সুশাসন নিশ্চিতে ইউজিসি তৎপরতা শুরু করেছে। ফিনান্সিয়াল রিপোর্টিংয়ের বিজ্ঞানসম্মত নিয়ম অনুসরণের নির্দেশনাও দিয়েছে তারা।

ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম বলেন, ‘আমরা সরকারকে যে অর্থ দেই সেটি যথাযথভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না তা যাচাইয়ের এখন সুযোগ নেই। কারণ কোনো ব্যালেন্স শিট মেইনটেইন করা হয় না। সমস্যা সমাধানে বর্তমানে হিট নামে একটি প্রজেক্ট চলছে, সেটির আওতায় ইন্টিগ্রেটেড একটি সফটওয়্যার ডেভেলপ করার পরিকল্পনা হয়েছে।’

এফআরসি বলছে, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে বহিঃনিরীক্ষার চর্চা তুলনামূলকভাবে ভালো। তবে আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা ও স্পষ্ট জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সব প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক বহিঃনিরীক্ষার তাগিদ সংস্থাটির।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host