রোববার জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা বাজার থেকে জিহাদ হাসান হত্যা মামলার প্রধান আসামি মুন্নাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় সদর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত মুন্না সদর উপজেলার গহেরপাড়া গ্রামের মো. আবুল কাশেমের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় জিহাদ তার নিজ বাড়ি থেকে চাচার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে গহেরপাড়া জামে মসজিদ এলাকায় পৌঁছালে পূর্বশত্রুতার জেরে মুন্না, সাইফুলের ছেলে সাঈদ, মোকছেদের ছেলে আবুল কাশেমসহ অজ্ঞাত আরও ৪/৫ জন জিহাদের পথরোধ করে হামলা চালায়।
হামলার একপর্যায়ে মুন্না তার হাতে থাকা ছুরি দিয়ে জিহাদকে পেছন দিক থেকে আঘাত করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা জিহাদকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহত জিহাদের বাবা ফিরোজ মিয়া ঘটনার পরদিন ৮ জানুয়ারি সদর থানায় ৩ জনকে নামীয় ও অজ্ঞাত আরও ৪/৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
স্কুলছাত্র জিহাদ হত্যার পর থেকেই আসামিদের গ্রেপ্তারে তৎপর হয় জামালপুর জেলা পুলিশ। ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে রোববার সকালে জামালপুর সদর উপজেলাস্থ নান্দিনা বাজার থেকে প্রধান আসামি মুন্নাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
জামালপুর সদর থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, জিহাদ হত্যাকান্ডের পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। মামলা দায়েরের পর আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান আরও জোরদার করা হয় এবং রোববার সকালে সদর উপজেলার নান্দিনা বাজার এলাকা থেকে প্র্রধান আসামি মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত মুন্নাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।