1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শেষ ভরসা ডিম ও কাঁচা পেঁপের দামও চড়া গত এক সপ্তাহে দেশের নদ-নদী থেকে ১৭ মরদেহ উদ্ধার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী বিসিবি নির্বাচন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক হতে যাচ্ছেন তামিমের খালু শিশু হত্যা-ধর্ষণের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রগতিশীল শিক্ষকদের বিবৃতি দুর্ভোগে তেরখাদার এগার-আমতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দেশে ১৬ মাসে ৫২২ শিশু হত্যা, ধর্ষণের শিকার ১ হাজার ২২৩ শিশু: আসক হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু এক সপ্তাহে নদী থেকে উদ্ধার ১৭ মরদেহ ভিজিএফের বিপুল পরিমাণ সরকারি চাল জামায়াত নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার

জেল থেকে বঙ্গমাতাকে লেখা বঙ্গবন্ধুর চিঠি

অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট, ২০২২
  • ২১১ সময় দর্শন

অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কঠিন সংগ্রাম আর আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র উপহার দিয়েছেন। তিনি শুধু নেতা হিসেবে নয়, ব্যক্তি মানুষ হিসেবে, পিতামাতার অনুগত সন্তান হিসেবে, দায়িত্বশীল স্বামী ও স্নেহবৎসল পিতা হিসেবে এক অসাধারণ আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বও ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে কারাগার থেকে লেখা বঙ্গবন্ধুর চিঠিপত্রেও সেই ব্যক্তিত্বের আলো প্রতিফলিত হয়েছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৯ সালে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় তার সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবকে চিঠি লিখেছিলেন। চিঠিটি ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এম এম ইমরুল কায়েস।

চিঠিটি হুবহু তুলে ধরা হলো- 
ঢাকা জেল, ১৬/৪/৫৯
রেণু,
আমার ভালোবাসা নিও। ঈদের পরে আমার সাথে দেখা করতে এসেছো, ছেলেমেয়েদের নিয়ে আসো নাই- কারণ তুমি ঈদ করো নাই, ছেলেমেয়েরাও করে নাই। খুবই অন্যায় করেছো, ছেলেমেয়েরা ঈদে একটু আনন্দ করতে চায়। কারণ সকলেই করে। তুমি বুঝতে পারো ওরা কত দুঃখ পেয়েছে। আব্বা ও মা শুনলে খুবই রাগ করবেন।

আগামী দেখার সময় ওদের সকলকে নিয়ে আসিও। কেন যে চিন্তা করো বুঝি না, আমার কবে মুক্তি হবে তার কোনো ঠিক নাই। তোমার একমাত্র কাজ হবে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া শিখান। টাকার দরকার হলে আব্বাকে লিখিও। কিছু কিছু মাসে মাসে দিতে পারবেন। হাচিনাকে (শেখ হাসিনা) মন দিয়ে পড়তে বলিও। কামালের স্বাস্থ্য মোটেই ভাল হচ্ছে না। ওকে নিয়ম মতো খেতে বলিও। জামাল যেন মন দিয়ে পড়ে, আর ছবি আঁকে। এবার একটা ছবি এঁকে যেন নিয়ে আসে, আমি দেখব।

রেহানা খুব দুষ্টু। ওকে কিছুদিন পরে স্কুলে দিয়ে দিও জামালের সাথে। যদি সময় পাও নিজেও একটু লেখাপড়া করিও। একাকী থাকতে একটু কষ্ট প্রথম প্রথম হতো, এখন অভ্যাস হয়ে গেছে। কোনো চিন্তা নাই। বসে বসে বই পড়ি। তোমার শরীরের প্রতি যত্ন নিও।
ইতি
তোমার মুজিব।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host