1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু জন্মের আগেই যার ক্রিকেট যাত্রার শুরু: আইপিএলে ৭ ছক্কার নায়ক রাকসু জিএস আম্মারের বিরুদ্ধে তার নিজ এলাকা কয়রায় ঝাড়ু মিছিল ও কুশপুত্তলিকা দাহ লিফটে ওঠা কেন্দ্র করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে সংঘর্ষ, থানায় দুই মামলা আজ ঐতিহাসিক ১০ এপ্রিল: মুজিবনগর সরকার দিবস গোপালগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় এক হাসপাতালে ১৭ শিশু  গতকাল আওয়ামী আমলের চেয়েও খারাপ নির্বাচন হয়েছে: গোলাম পরওয়ার মন্ত্রী হলে আল্লাহর হৃদয় জয়ের অঙ্গীকার করা আসিফ নজরুল ক্ষমতায় বসে লুটপাটের সর্বোচ্চ শিখরে! ঝিনাইদহে ছাত্রলীগ নেতার রহস্যজনক মৃত্যু, স্বজনদের দাবি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড পাইপলাইনে হামলায় সৌদির তেল রপ্তানি কমল ১০ শতাংশ

চড়িয়া গণহত্যা দিবস জয়বাংলা স্লোগান দেওয়ায় পাকবাহিনী হত্যা করে দু’শতাধিক নারী পুরুষ

নজরুল ইসলাম,উল্লাপাড়া(সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধি:
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৭১ সময় দর্শন

আজ ২৫ এপ্রিল চড়িয়া গণহত্যা দিবস। ’৭১ এর এই দিনে উল­াপাড়ার হাটিকুমর“ল ইউনিয়নের চড়িয়াশিকার গ্রামে দুই শতাধিক নারী-পুরুষকে ধরে নিয়ে লাইনে দাঁড় করিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে পাক হানাদার বাহিনী। এদিন বেলা ১১টার দিকে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কয়েকটি জীপে করে বগুড়া থেকে সড়কপথে উল্লাপাড়া হয়ে পাবনার দিকে যাচ্ছিল। খবর পেয়ে ওই গ্রামের (বর্তমান উল্লাপাড়া হাটিকুমর“ল রোড গোলচত্ত¡র নিকটবতী ) যুবকেরা সকালে পাকসেনাদেরকে এই এলাকায় প্রবেশে বাঁধা দিতে রাস্তার উপর বেশ কয়েকটি গাছের গুঁড়ি ফেলে রাখে। বাধা পেয়ে গাড়ি রাস্তায় আটকে গেলে কিছুটা দুরে অপে¶মান চরিয়া শিকার কিছু সংখ্যক যুবকেরা পাক বাহিনীদের দেখে জয় বাংলা স্লোগান দিতে থাকে। পাকসেনারা রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে চড়িয়া এবং পার্শ্ববর্তী পাটধারী ও গোলকপুর গ্রামে ঢুকে অস্ত্রের মুখে দুই শতাধিক নারী-পুর“ষকে ধরে নিয়ে গ্রামের পূর্বপাশের মাঠে (বর্তমান চড়িয়া শিকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে) দাঁড় করিয়ে গুলি করে ও বেয়োনেট দিয়ে খুঁচিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। ১৯৭১ সালে এটিই ছিল উল্লাপাড়ায় সবচেয়ে বড় গণহত্যাযজ্ঞ। পাকবাহিনী এদিন এসব গ্রামও পুড়িয়ে দেয়। পরে পাক হানাদার বাহিনী চলে গেলে পার্শ্ববর্তী এলাকার লোকজন পাক বাহিনীদের গুলিতে নিহতদেরকে গণকবর দেন। স্বাধীনতার পর চড়িয়া শিকার গ্রামবাসী গণকবরের পাশে তাঁদের স্বজনদের স্মৃতি ধরে রাখতে একটি স্মৃতি স্তম্ভ ও শহীদ নির্মাণ করেছেন। এ কারণে দিনটি উল্লাপাড়ায় চড়িয়া গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃত হয়ে আসছে। প্রতিবছর চড়িয়া গণ কল্যাণ সমিতি এদিন কোরআনখানি ও স্মরণসভার আয়োজন করে থাকে। তবে এবার করোনা মহামারির কারনে এখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধু কোরআনখানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানান এই সংগঠনের সভাপতি আব্দুল হাই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host