1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাইপলাইনে হামলায় সৌদির তেল রপ্তানি কমল ১০ শতাংশ ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি ন্যায্য অধিকার থেকে সরবে না ইরান: মোজতবা খামেনি লক্ষ্মীপুরে ডেকে নিয়ে অটোরিকশা চালককে হত্যার অভিযোগ বাজারে সোনালী মুরগির রেকর্ড দাম, গায়েব সয়াবিনের বোতল আশুলিয়ায় প্রকাশ্যে প্রকাশ্যে গুলি করে ২ লাখ টাকা ছিনতাই সাফ ইয়ুথ টিটিতে বাংলাদেশের সোনা জয় রাষ্ট্র কি আইনের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিয়ন্ত্রণ করছে—প্রশ্ন জিল্লুর রহমানের নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে: অস্থির জনজীবন বিদ্যুতের খরচ বাঁচাতে নিউজিল্যান্ড সিরিজে দিনের আলোয় খেলা, নতুন সময়সূচি

কাদের মির্জার ভাই-ছেলেসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

অনলাইন ডেস্ক:
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৪১ সময় দর্শন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ১ নম্বর সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুর নবী চৌধুরীকে (৬৬), হামলার ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান বাদী হয়ে উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন মিকনকে (৪২), প্রধান আসামি করে এ মামলা দায়ের করেন।

এছাড়াও এ মামলায় ২নং আসামি করা হয়েছে, যুবলীগ কর্মী মির্জা অনুসারী শহীদ উল্যাহ রাসেল ওরফে কেচ্ছা রাসেল (৩৪), ৩নং আসামি করা হয়েছে কাদের মির্জার ছেলে মির্জা মাশরুর কাদের তাশিক (২৫) এবং ৪নং আসমি করা হয়েছে কাদের মির্জার ছোট ভাই শাহাদাত হোসেনকে (৫৩)। এছাড়া ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে এ মামলায় দায়ের করা হয়। এছাড়াও অজ্ঞাত ২০-৩০ জনকে ওই মামলায় আসামি করা হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ. লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে বিবদমান দ্বন্দ্বের জেরে সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বুসরহাট পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ১ নম্বর সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নুরনবী চৌধুরীকে (৬৬), গুলি করে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে দুই পা ভেঙে দেয় কাদের মির্জার অনুসারীরা।

পরে একই দিন দুপুর পৌনে ২টার দিকে, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ. লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান ও উপজেলা আ. লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান বাদল এ হামলার জন্য বসুরহাটের মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নির্দেশে তার ভাই সাহাদাত হোসেন ও ছেলে তাশিক মির্জা এবং তার কেচ্ছা রাসেলসহ আরো কয়েকজন সন্ত্রাসীকে দায়ী করেছেন।

পরে এক দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরনবী চৌধুরীকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মির্জা অনুসারী ৭ জনকে আটক করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host