1. admin@shwapnoprotidin.com : admin : ddn newsbd
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় এক হাসপাতালে ১৭ শিশু  গতকাল আওয়ামী আমলের চেয়েও খারাপ নির্বাচন হয়েছে: গোলাম পরওয়ার মন্ত্রী হলে আল্লাহর হৃদয় জয়ের অঙ্গীকার করা আসিফ নজরুল ক্ষমতায় বসে লুটপাটের সর্বোচ্চ শিখরে! ঝিনাইদহে ছাত্রলীগ নেতার রহস্যজনক মৃত্যু, স্বজনদের দাবি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড পাইপলাইনে হামলায় সৌদির তেল রপ্তানি কমল ১০ শতাংশ ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি ন্যায্য অধিকার থেকে সরবে না ইরান: মোজতবা খামেনি লক্ষ্মীপুরে ডেকে নিয়ে অটোরিকশা চালককে হত্যার অভিযোগ বাজারে সোনালী মুরগির রেকর্ড দাম, গায়েব সয়াবিনের বোতল আশুলিয়ায় প্রকাশ্যে প্রকাশ্যে গুলি করে ২ লাখ টাকা ছিনতাই

ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটি

প্রতিবেদকের নাম :
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৩ সময় দর্শন
স্বপ্ন প্রতিদিন ডেস্ক

ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সাম্প্রতিক যুদ্ধে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত অন্তত এক ডজন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ইরানের পাল্টা হামলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক একদল বিশেষজ্ঞ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ওয়াশিংটনে আয়োজিত এক সম্মেলনে জানিয়েছেন, এই ঘাঁটিগুলোর বর্তমান অবস্থা এতটাই নাজুক যে এগুলো এখন উপকারের চেয়ে ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির ‘প্রজেক্ট অন মিডল ইস্ট পলিটিক্যাল সায়েন্স’-এর পরিচালক মার্ক লিঞ্চ জানান, গত এক মাসে ইরান কার্যত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্যের ভৌত কাঠামোকে অকেজো করে দিয়েছে। গত মাসে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনেও এই ঘাঁটিগুলোকে ‘বসবাসের অনুপযোগী’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল, যদিও ট্রাম্প প্রশাসন এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির এই বিশালত্বের কথা স্বীকার করেনি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরটি বর্তমানে চরম ঝুঁকির মুখে রয়েছে এবং সেখান থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। প্রায় ৯ হাজার সামরিক কর্মকর্তার আবাসস্থল এই নৌঘাঁটিটি ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশলগত অবস্থান ধসে পড়েছে।

লিঞ্চের মতে, বাহরাইনে পুনরায় পঞ্চম নৌবহর ফিরিয়ে আনা এখন প্রায় অসম্ভব এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের যে চিরাচরিত প্রভাব ছিল, তার বিকল্প কোনো পথ এখন ওয়াশিংটনের সামনে নেই। উল্লেখ্য যে, এই অঞ্চলে বাহরাইন, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার ও ওমানসহ বিভিন্ন দেশে মোট ১৯টি ঘোষিত মার্কিন সামরিক সাইট রয়েছে, যেখানে প্রায় ৫০ হাজার সৈন্য মোতায়েন ছিল।

১৯৯০ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের পর তেলের বিনিময়ে নিরাপত্তার যে লেনদেন ভিত্তিক সম্পর্ক যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে গড়ে উঠেছিল, বর্তমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তা বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট ফর মিডল ইস্ট স্টাডিজের সহযোগী পরিচালক শানা আর মার্শাল জানান, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি থাকা বা ইসরায়েলের সাথে স্বাভাবিক সম্পর্কের প্রচার চালানো এখন উপকারের চেয়ে দায় হিসেবে বেশি দেখা দিচ্ছে।Thumbnail Toshif Hasan  (2)

ইরানের হামলায় এই দেশগুলোর জ্বালানি উৎপাদন কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং বিমানবন্দর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বাধ্য হওয়া প্রমাণ করে যে, আমেরিকার ‘নিরাপত্তা ছাতা’ এখন আর কার্যকর নয়। এর আগে ১৯৯৬ সালে সৌদি আরবের খোবার টাওয়ারে হামলা এবং ওসামা বিন লাদেনের ক্ষোভের মূলে এই মার্কিন ঘাঁটির উপস্থিতিই প্রধান কারণ ছিল।

এদিকে কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপন্সিবল স্টেটক্র্যাফটের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ত্রিতা পার্সি মনে করেন, চলতি সপ্তাহে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনার ওপর ইরানের হামলা বন্ধের বিষয়ে কোনো স্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। এই বিষয়টি দেশগুলোকে আশাহত করেছে এবং তারা নিজেদের বঞ্চিত বোধ করছে।

পার্সি ব্যাখ্যা করেছেন, এই ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলা ঠেকাতে সক্ষম হয়নি বরং সেগুলো নিজেরাই হামলার প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। ফলে নিরাপত্তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা এখন ভেঙে পড়েছে এবং এর বিকল্প হিসেবে কিছু দেশ ইরানের সাথে সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারলে ইসরায়েলের দিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। আব্রাহাম অ্যাকর্ডের মতো কোনো মার্কিন ছাড় ছাড়াই দেশগুলো এখন নিজেদের টিকে থাকার স্বার্থে নতুন কোনো আঞ্চলিক জোটের কথা ভাবতে পারে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
২০২5© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ণ বেআইনি এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ*
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Smart iT Host